(৬০) আপনি কি দ্বিমুখীদের দিকে লক্ষ্য করেননি, যারা দাবী করে যে, তারা কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করে, যা আপনার কাছে অবতীর্ণ হয়েছে ও যে গ্রন্থ সমূহ আপনার পূর্ববর্তীদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে, তারা তার প্রতিও বিশ্বাস করে? তারা চায় যে, শয়তানের নিকট বিচার খুজঁতে। যদিও তাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো যে, শয়তানকে অস্বীকার করতে। আর শয়তান চায় যে, তাদেরকে সুদূর পথভ্রষ্টতায় পথহারা করতে। (৪. আন নিসা : ৬০)
- ব্যাখ্যা
(৬১) যখন দ্বিমুখীদেরকে বলা হয় যে, “আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তার দিকে এবং রসূলের দিকে তোমরা এসো”। তখন আপনি দ্বিমুখীদেরকে দেখতে পাবেন যে, তারা আপনার কাছ থেকে অনিহা বশত সরে যাচ্ছে। (৪. আন নিসা : ৬১)
- ব্যাখ্যা
(৬২) সুতরাং তখন তাদের অবস্থা কেমন হয়, যখন তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের উপরে কোনো বিপদ এসে পড়ে? তখন তারা আপনার কাছে এসে আল্লাহর নামে শপথ করে, ও তারা বলে যে, “মঙ্গল ও সম্প্রীতি ছাড়া আমরা অন্য কিছুই চাইনি।” (৪. আন নিসা : ৬২)
- ব্যাখ্যা
(৬৩) দ্বিমুখীদের অন্তরের মধ্যে যা আছে, আল্লাহ তা জানেন। সুতরাং আপনি তাদেরকে উপেক্ষা করুন, তাদেরকে উপদেশ দান করুন এবং আপনি তাদেরকে তাদের নিজেদের সম্পর্কে এমন কথা বলুন, যা তাদের হৃদয় পর্যন্ত পৌঁছায়। (৪. আন নিসা : ৬৩)
- ব্যাখ্যা
(৬৪) আমি প্রত্যেক রসূলকে কেবল মাত্র এ উদ্দেশ্যই প্রেরণ করেছি, যেনো আল্লাহর ইচ্ছায় রসূলদেরকে অনুসরণ করা হয়। যখন তারা তাদের নিজেদের প্রতি অন্যায় করেছিলো, তারা যদি তখন আপনার কাছে আসতো ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতো আর রসূলও যদি তাদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন, তবে তারা অবশ্যই আল্লাহকে ক্ষমাশীল ও অতি দয়ালু হিসেবে পেতো। (৪. আন নিসা : ৬৪)
- ব্যাখ্যা
(৬৫) সুতরাং আপনার প্রভুর শপথ! তারা আল্লাহর প্রতি পরিপূর্ণ ভাবে কখনোই বিশ্বাস করবে না, যে পর্যন্ত না, তারা আপনাকে সেই বিষয়ে বিচারক মেনে নেয়, যে বিষয়ে তারা তাদের পরস্পরের মধ্যে মতবিরোধ করে। তারপর আপনি যা মীমাংসা করেন ঐ সম্পর্কে তারা তাদের নিজেদের অন্তরের মধ্যে কোনো রূপ সংকীর্ণতা করবে না আর তারা আল্লাহর প্রতি পরিপূর্ণ ভাবে আত্মসমর্পণ করবে। (৪. আন নিসা : ৬৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস