(৫২) ইহুদীরাই হচ্ছে ঐ সমস্ত লোক, যাদেরকে আল্লাহ অভিশাপ করেছেন। আর যাকে আল্লাহ অভিশাপ করেন, সুতরাং তার জন্যে আপনি কখনোই কোনো সাহায্যকারী পাবেন না। (৪. আন নিসা : ৫২)
- ব্যাখ্যা
(৫৪) অথবা আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহ থেকে মানুষকে যা দিয়েছেন, এ জন্যে কি ইহুদীরা মানুষকে ঈর্ষা করে? আমি অবশ্যই ইব্রাহীমের বংশধরদেরকে গ্রন্থ ও প্রজ্ঞা দিয়েছি আর আমি তাদেরকে এক বিশাল রাজত্ব দিয়েছি। (৪. আন নিসা : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
(৫৫) সুতরাং ইহুদীদের মধ্যে এমনো ব্যক্তি আছে, যে ব্যক্তি ইব্রাহীমের প্রতি বিশ্বাস করে। আর তাদের মধ্যে এমনো ব্যক্তি আছে, যে ব্যক্তি ইব্রাহীমের সরল ধর্ম থেকে ফিরে যায়। বস্তুত এমন ইহুদীদের জন্যে দোযখের জ্বলন্ত আগুনই যথেষ্ট। (৪. আন নিসা : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
(৫৬) নিশ্চয় যারা আমার বাণী সমূহের প্রতি অবিশ্বাস করে, আমি শীঘ্রই তাদেরকে আগুনে পুড়াবো। যতবার তাদের চামড়া পুড়ে যাবে, ততবার আমি তাদের চামড়া গুলোকে অন্য চামড়া দিয়ে পরিবর্তন করে দিবো, যেনো তারা শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করে। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (৪. আন নিসা : ৫৬)
- ব্যাখ্যা
(৫৭) যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, আমি শীঘ্রই তাদেরকে এমন বেহেশতে প্রবেশ করাবো, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়। তারা বেহেশতের মধ্যে চিরকাল থাকবে। তাদের জন্যে বেহেশতের মধ্যে পবিত্র স্ত্রীগণ থাকবে। আর তাদেরকে আমি ঘন ছায়ার মধ্যে প্রবেশ করাবো। (৪. আন নিসা : ৫৭)
- ব্যাখ্যা
(৫৮) নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ করছেন যে, তোমরা আমানত তাদের প্রাপকদের নিকট দিয়ে দাও আর যখন তোমরা মানুষের মধ্যে বিচার করো, তখন তোমরা ন্যায়ের সাথে বিচার করো। নিশ্চয় আল্লাহ এ কুরআনের দ্বারা তোমাদেরকে উত্তম উপদেশ দিয়ে থাকেন। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন শ্রবণকারী, দর্শনকারী। (৪. আন নিসা : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৯) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা আল্লাহ ও রসূলকে অনুসরণ করো। আর তোমাদের মধ্যে যারা আদেশ দেবার অধিকারী, এমন শাসকদেরকে তোমরা অনুসরণ করো। তারপর যদি তোমরা কোনো বিষয়ে মতভেদ করো ও তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাকলে, তোমরা তা আল্লাহ ও রসূলের উপরে ন্যস্ত করো। এটিই হচ্ছে উত্তম পন্থা ও পরিণামের দিক থেকেও শুভ। (৪. আন নিসা : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস