(৪৬) যারা ইহুদী তাদের মধ্যে অনেকেই তাওরাতের কথার প্রকৃত স্থান থেকে কথার মোড়কে ঘুড়িয়ে দেয়। তারা বলে, “আমরা কুরআন শুনেছি ও আমরা কুরআনকে অমান্য করেছি। আর তোমরাও কুরআন শুনো, তার মতো যে শুনে না।” আর তাদের জিহবা বাঁকিয়ে তারা আপনাকে বলে যে, “আমাদের কথা শুনুন”, আসলে হীব্রু ভাষায় তারা বলতে চায় ‘আমাদের রাখাল’। আর ইসলাম ধর্মের বিষয়ে তারা তাচ্ছিল্য করে। তারা যদি বলতো যে, “আমরা কুরআন শুনেছি ও আমরা কুরআনকে মান্য করি। আর আপনি আমাদের কথা শুনুন ও আপনি আমাদের প্রতি লক্ষ্য রাখুন।” তবে অবশ্যই তা তাদের জন্যে উত্তম ও বেশী ন্যায় সঙ্গত হতো। কিন্তু আল্লাহ তাদের অবিশ্বাসের জন্যে তাদেরকে অভিশাপ করেছেন। সুতরাং তারা অল্প কয়েকজন ছাড়া, তাদের অধিকাংশই আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে না। (৪. আন নিসা : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) ওহে যাদেরকে গ্রন্থ দেওয়া হয়েছে! তোমরা এই কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করো, যা আমি অবতীর্ণ করেছি। যে কুরআন ঐ গ্রন্থ সমূহের সত্যায়নকারী, যা পূর্বে থেকেই তোমাদের কাছে আছে। তোমরা কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করো ঐ দিন আসার পূর্বেই, যেদিন আমি মুছে দিবো অনেক চেহারাকে ও সেগুলোকে ফিরিয়ে দিবো তাদের পিছনের দিকে। অথবা শনিবারে সীমালঙ্ঘন-কারীদের উপরে যেমন আমি অভিশাপ করেছিলাম, ঐ রকম অভিশাপ করার পূর্বেই, তোমরা কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করো। বস্তুত আল্লাহর নির্দেশ কার্যকর হয়েই থাকে। (৪. আন নিসা : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে কাউকে অংশীদার করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। এ ছাড়া অন্য যে সকল অপরাধ রয়েছে, যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকে অংশীদার করে, তাহলে সে অবশ্যই মহাপাপ উদ্ভাবন করে। (৪. আন নিসা : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৯) আপনি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করেননি, যারা নিজেদেরকে পবিত্র বলে দাবী করে? বরং, আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন এবং এ ব্যাপারে তাদের প্রতি সামান্যতম অন্যায় করা হয় না। (৪. আন নিসা : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫১) আপনি কি ইহুদীদের প্রতি লক্ষ্য করেননি, যাদেরকে গ্রন্থের কিছু অংশ দেওয়া হয়েছিলো, তারাই এখন প্রতিমা ও শয়তানের প্রতি বিশ্বাস করছে। আর ইহুদীরা অবিশ্বাসীদের সম্পর্কে বলে যে, “বিশ্বাসীদের চাইতে, এই অবিশ্বাসীরাই অধিকতর সরল পথে রয়েছে।” (৪. আন নিসা : ৫১)
- ব্যাখ্যা