(৩৮) আর যারা মানুষকে দেখানোর জন্যে তাদের সম্পদ খরচ করে অথচ তারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস করে না। বস্তুত শয়তান যার সঙ্গী হয়েছে সুতরাং আল্লাহ এমন লোকদেরকে ভালোবাসেন না আর শয়তান কতইনা নিকৃষ্টতম সঙ্গী। (৪. আন নিসা : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) এতে তাদের কিইবা ক্ষতি হতো, যদি তারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস করতো আর আল্লাহ তাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছেন, তা থেকে তারা খরচ করতো? বস্তুত আল্লাহ তাদের অবস্থা সম্পর্কে সম্যক অবগত। (৪. আন নিসা : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের উপরে অনু পরিমাণেও অন্যায় করেন না। আর যদি তা ভালো কাজ হয়, তবে তিনি ঐ কাজকে বহুগুণিত করেদেন। আর তাঁর নিজের পক্ষ থেকে ঐ ব্যক্তিকে মহা পুরস্কার দান করেন। (৪. আন নিসা : ৪০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪১) সুতরাং তখন তাদের অবস্থা কেমন হবে, যখন আমি কিয়ামতের দিনে প্রত্যেক জাতি থেকে একজন সাক্ষীকে আনবো আর আমি আপনাকে তাদের সবার উপরে সাক্ষী রূপে আনবো? (৪. আন নিসা : ৪১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪২) যারা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করে ও রসূলকে অমান্য করে, কিয়ামতের দিন তারা চাইবে যে, যদি তাদেরকে নিয়ে পৃথিবীটা সমতল হয়ে যেতো। কিয়ামতের দিন তারা আল্লাহ থেকে কোনো কথাই গোপন করতে পারবে না। (৪. আন নিসা : ৪২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৩) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাকো, তখন তোমরা নামাযের ধারের কাছেও যেয়ো না, যে পর্যন্ত না, তোমরা বুঝতে পারো যে, তোমরা কি বলছো, অথবা যৌন সম্ভোগ করার পরবর্তী অবস্থায়, যে পর্যন্ত না, তোমরা গোসল করেছো। আর যদি তোমরা অসুস্থ হও অথবা ভ্রমণে থাকো অথবা তোমাদের মধ্যে কেউ শৌচস্থান থেকে এসেছো অথবা তোমরা স্ত্রীদের সাথে সহবাস করেছো আর যদি তোমরা পানি না পাও, তবে তোমরা বিশুদ্ধ মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করো। তারপর তোমাদের মুখমন্ডল ও তোমাদের হাত সমূহ মাসেহ করো। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল। (৪. আন নিসা : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৪) আপনি কি ইহুদীদের প্রতি লক্ষ্য করেননি, যাদেরকে গ্রন্থের কিছু অংশ দেওয়া হয়েছিলো, অথচ তারা পথভ্রষ্টতা ক্রয় করে আর তারা চায় যে, তোমরাও সরল পথ থেকে বিভ্রান্ত হও? (৪. আন নিসা : ৪৪)
- ব্যাখ্যা