(৩৪) পুরুষরা নারীদের উপরে অভিভাবক, যেহেতু আল্লাহ তাদের একের উপরে অন্যের শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং যেহেতু পুরুষরা তাদের সম্পদ নারীদের জন্যে খরচ করে। সৎনারীরা অনুগতা হয় এবং ঐ ব্যপারে গোপনীয়তার রক্ষাকারীনী হয়, যা আল্লাহ রক্ষা করতে তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। তোমরা যখন তাদের অবাধ্যতার আশঙ্কা করো, তখন তাদেরকে উপদেশ দাও আর তাদেরকে শয্যায় একা ফেলে রাখো আর তাদেরকে হাল্কা প্রহার করো। তারপর যদি তারা তোমাদের অনুগতা হয়, তবে তাদের জন্যে অন্য কোনো পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সবার উপরে সর্বশ্রেষ্ঠ। (৪. আন নিসা : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
(৩৫) তোমরা যদি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদের আশঙ্কা করো, তবে স্বামীর পরিবার থেকে একজন সালিস নিয়োগ করো এবং স্ত্রীর পরিবার থেকেও একজন সালিস নিয়োগ করো। তারা যদি দুইজনই মীমাংসা চায়, তবে আল্লাহ তাদের উভয়ের মধ্যে মিলন ঘটানোর সুযোগ করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ ও সব কিছুই অবগত। (৪. আন নিসা : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৬) তোমরা আল্লাহর উপাসনা করো ও তাঁর সাথে কোনো কিছুকে অংশীদার করো না। পিতা-মাতার প্রতি, নিকট আত্মীয়দের প্রতি, পৃতিহীনদের প্রতি, অসহায়দের প্রতি, নিকট সম্পর্কের প্রতিবেশীর প্রতি, দূর সম্পর্কের প্রতিবেশীর প্রতি, পার্শ্ববর্তী সাথীর প্রতি, পথচারীর প্রতি আর দাস দাসীর প্রতি তোমরা সদয় আচরণ করো। নিশ্চয় যে ব্যক্তি দাম্ভিক ও অন্যায় কাজের উপরে গর্বিত, আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন না। (৪. আন নিসা : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৭) আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন না, যে ব্যক্তি কৃপণতা করে আর লোকদেরকে কৃপণতার নির্দেশ দেয় আর আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহ থেকে যা তাদেরকে দিয়েছেন তা লুকিয়ে রাখে। এমন অবিশ্বাসীদের জন্যে আমি লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি তৈরি করে রেখেছি। (৪. আন নিসা : ৩৭)
- ব্যাখ্যা