(২৭) আল্লাহ চান যে, তোমাদেরকে পরিপূর্ণ ভাবে ক্ষমা করতে, কিন্তু যারা পার্থিব লালসার অনুসরণ করে তারা চায় যে, তোমরা সত্য পথ থেকে অনেক দূরে হারিয়ে যাও। (৪. আন নিসা : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৯) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা পরস্পরে একে অন্যের সম্পদ অন্যায় ভাবে গ্রাস করো না, তবে পারস্পরিক সম্মতিক্রমে কোনো ব্যবসায় করা হলে তা বৈধ। আর তোমরা নিজেরা নিজেদেরকে হত্যা করো না। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি অতি দয়ালু। (৪. আন নিসা : ২৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩০) যে ব্যক্তি আল্লাহর এই নির্দেশকে লঙ্ঘন করে ও মানুষের উপরে অত্যাচার করে, সুতরাং আমি শীঘ্রই তাকে আগুনের মধ্যে ফেলবো। আর এ কাজ আল্লাহর জন্যে অতি সহজ। (৪. আন নিসা : ৩০)
- ব্যাখ্যা
(৩১) তোমাদেরকে যে বড় অপরাধ সম্পর্কে নিষেধ করা হয়েছে, তোমরা যদি তা থেকে বিরত থাকো, তবে আমি তোমাদের ছোট অপরাধ সমূহ মূছে দিবো আর আমি তোমাদেরকে বেহেশতের মধ্যে এক সম্মানিত প্রবেশদ্বার দিয়ে প্রবেশ করাবো। (৪. আন নিসা : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩২) যা দ্বারা আমি তোমাদের কতককে কতকের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি, তোমরা তা কামনা করো না। পুরুষদের জন্যে তা থেকে অংশ রয়েছে, যা তারা অর্জন করে। আর নারীদের জন্যেও তা থেকে অংশ রয়েছে, যা তারা অর্জন করে। সুতরাং তোমরা আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ থেকে যা ইচ্ছা চাও। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছু সম্পর্কে সর্বজ্ঞ। (৪. আন নিসা : ৩২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৩) পিতা-মাতা ও নিকট আত্মীয়রা যে সম্পদ রেখে যায়, তা থেকে প্রত্যেকের জন্যে আমি উত্তরাধিকার নির্ধারিত করেছি। আর যাদের সঙ্গে তোমরা অঙ্গীকার করেছো, তাহলে তোমরা তাদেরকে তাদের অংশ প্রদান করো। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছুর উপরে সাক্ষী। (৪. আন নিসা : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস