(২৪) নারীদের মধ্যে তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যারা বিবাহিত অন্যের স্ত্রী, তবে তোমাদের দাসীরা ব্যতীত। ইহা তোমাদের প্রতি আল্লাহর বিধান। এদের বাইরে যারা রয়েছে, অন্য সব নারীরা তোমাদের জন্যে বৈধ করা হলো। যদি তোমরা তোমাদের সম্পদের মাধ্যমে মহরানার বিনিময়ে তাদেরকে বিয়ে করতে চাও, তবে ব্যভিচারের জন্যে নয়। সুতরাং এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে যাদেরকে তোমরা বিয়ে করতে চাও, তাহলে তাদেরকে তাদের নির্ধারিত মহরানা প্রদান করো। আর মহরানা নির্ধারিত হবার পরে, তোমাদের জন্যে মহরানা কম বেশী করায় কোনো অপরাধ হবে না, যে পরিমাণের উপরে তোমরা পরস্পর সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (৪. আন নিসা : ২৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৫) তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তির বিশ্বাসিনী স্বাধীন নারীকে বিয়ে করার কোনো সামর্থ্য নেই, তবে সে বিশ্বাসি দাসীদেরকে বিয়ে করবে। আল্লাহ তোমাদের ধর্ম বিশ্বাস সম্পর্কে ভালো জানেন। তোমরা একজন অন্যজন থেকে আলাদা নও, কেননা আল্লাহর নিকট ন্যায় বিচারের দিক থেকে তোমরা পরস্পর একই সমান। সুতরাং তোমরা ঐ দাসীদের পরিবারের অনুমতি নিয়ে তাদেরকে বিয়ে করো। তোমরা বিবাহ বন্ধনের জন্যে তাদেরকে উত্তম ভাবে তাদের মহরানা দাও, তবে ব্যভিচারের জন্যে নয় আর পরপুরুষ গ্রহণের জন্যেও নয়। সুতরাং যখন ঐ বিশ্বাসি দাসীদেরকে বিবাহ বন্ধনে আনা হয়, তারপর যদি তারা ব্যভিচার করে, তবে তাদের জন্যে শাস্তি হবে স্বাধীন বিশ্বাসি নারীদের উপরে নির্ধারিত শাস্তির অর্ধেক। এ বিধান হচ্ছে ঐ ব্যক্তি জন্যে, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ব্যভিচারে পড়ার ভয় করে। তোমরা যদি ধৈর্য্যধারণ করো, তবে তা তোমাদের জন্যে উত্তম। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৪. আন নিসা : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৬) আল্লাহ চান তোমাদের জন্যে তাঁর বিধানকে পরিষ্কার ভাবে বর্ণনা করতে ও তোমাদের পূর্ববর্তী যারা ছিলো তাদের জীবন পন্থা অনুযায়ী তোমাদেরকে পথ প্রদর্শন করতে আর তোমাদেরকে ক্ষমা করতে। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (৪. আন নিসা : ২৬)
- ব্যাখ্যা