(১৫) তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা ব্যভিচার করে, তবে তোমরা তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের মধ্যে থেকে চারজন সাক্ষী ডাকো। তারা যদি সাক্ষ্য দেয়, তবে তাদেরকে ঘরের ভিতরে বন্দি করে রাখো, যে পর্যন্ত না, মৃত্যু তাদের উপরে ঘনিয়ে আসে অথবা আল্লাহ তাদের জন্যে অন্য কোনো পথ করেদেন। (৪. আন নিসা : ১৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৬) তোমাদের মধ্যে থেকে দুইজন পুরুষ যদি সমকামিতা করে, তবে তোমরা তাদের উভয়কেই শাস্তি দাও। তারপর যদি তারা ক্ষমা প্রার্থনা করে ও সংশোধিত হয় তবে তোমরা তাদের উভয় থেকে হাত গুটিয়ে নাও। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৪. আন নিসা : ১৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৭) যারা অজ্ঞতার কারনে মন্দ কাজ করে, তারপর তারা দ্রুত ক্ষমা প্রার্থনা করে, কেবল মাত্র তাদের জন্যেই আল্লাহর নিকটে ক্ষমা রয়েছে। সুতরাং এরাই হচ্ছে তারা, যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করেন। আর আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (৪. আন নিসা : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) তাদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা গ্রহণ যোগ্য নয়, যারা মন্দ কাজ করেই চলে, এমনকি, যখন তাদের কোনো একজনের কাছে মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন সে বলে, “নিশ্চয় আমি এখন ক্ষমা প্রার্থনা করছি”। আর তাদের জন্যেও ক্ষমা প্রার্থনা গ্রহণযোগ্য নয়, যারা অবিশ্বাসী অবস্থায় মারা যায়। এরাই হচ্ছে তারা, যাদের জন্যে আমি যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি তৈরি করে রেখেছি। (৪. আন নিসা : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমাদের জন্যে বৈধ নয় যে, তোমরা বলপূর্বক নিজেরা নারীদের উত্তরাধিকারী হয়ে যাও। তোমরা তাদেরকে যে দেনমহর দিয়েছো, তার কিছু অংশ ফিরে পাবার জন্যে, তাদেরকে বন্দি করে রেখো না, যদি না এমন হয় যে, তারা প্রকাশ্য অশ্লীল আচরণে লিপ্ত হয়। তোমরা তাদের প্রতি ন্যায় সঙ্গত ভাবে ব্যবহার করো। অবশ্য যদি তোমরা তাদেরকে অপছন্দ করো, তবে হতে পারে যে, তোমরা এমন কিছুকে অপছন্দ করলে অথচ আল্লাহ তার মধ্যে প্রচুর কল্যাণ নিহিত রেখেছেন। (৪. আন নিসা : ১৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস