(৪৯) (তোমরা স্মরণ করো,) যখন আমি তোমাদেরকে ফিরআউনের জাতি থেকে মুক্ত করেছিলাম, যারা তোমাদেরকে কঠোর শাস্তি দান করতো। তারা তোমাদের পুত্র সন্তানদেরকে হত্যা করতো ও তোমাদের কন্যা সন্তানদেরকে জীবিত রাখতো। আর এর মধ্যে তোমাদের জন্যে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে এক মহা পরীক্ষা ছিলো। (২. আল বাক্বারাহ : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫০) (তোমরা স্মরণ করো,) যখন আমি তোমাদের জন্যে সাগরকে বিভক্ত করেছিলাম। তারপর আমি তোমাদেরকে উদ্ধার করেছিলাম ও আমি ফিরআউনের জাতিকে ডুবিয়ে দিয়েছিলাম। বস্তুত তখন তোমরা এ দৃশ্য চেয়ে দেখছিলে। (২. আল বাক্বারাহ : ৫০)
- ব্যাখ্যা
(৫১) (তোমরা স্মরণ করো,) যখন আমি মূসার সঙ্গে চল্লিশ রাতের অঙ্গীকার করেছিলাম, তারপর তোমরা মূসার অনুপস্থিতিতে বাছুরকে উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করলে। বস্তুত তোমরা অন্যায়কারী ছিলে। (২. আল বাক্বারাহ : ৫১)
- ব্যাখ্যা
(৫৩) (তোমরা স্মরণ করো,) যখন আমি মূসাকে ধর্ম গ্রন্থ (রূপে তাওরাত) দিয়েছিলাম এবং (সেটি ছিলো এমন গ্রন্থ যা) সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী, যেনো তোমরা সুপথগামী হতে পারো। (২. আল বাক্বারাহ : ৫৩)
- ব্যাখ্যা
(৫৪) (তোমরা স্মরণ করো,) যখন মূসা তাঁর জাতিকে বললো যে, “হে আমার জাতি! নিশ্চয় তোমরা বাছুরকে উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করে তোমাদের নিজেদের প্রতি অন্যায় করেছো। সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রভুর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো এবং তোমরা তোমাদের নিজেদের লোকদেরকে হত্যা করো। এটাই তোমাদের প্রভুর নিকট তোমাদের জন্যে কল্যাণকর।” তারপর তোমাদেরকে ক্ষমা করা হলো। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (২. আল বাক্বারাহ : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
(৫৫) (তোমরা স্মরণ করো,) যখন তোমরা বললে, “হে মূসা! আমরা কখনো তোমাকে বিশ্বাস করবো না, যে পর্যন্ত না, আমরা প্রকাশ্য ভাবে আল্লাহকে দেখতে পাই।” তখন তোমাদেরকে বজ্রাঘাত পাকড়াও করলো ও তখন তোমরা ঐ দৃশ্য চেয়ে দেখছিলে। (২. আল বাক্বারাহ : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
(৫৭) আমি তোমাদের উপরে মেঘের দ্বারা ছায়া দান করেছিলাম এবং আমি তোমাদের জন্যে খাবার হিসেবে সুমিষ্ট হালুয়া ও পাখী অবতীর্ণ করেছিলাম। (আর আমি তোমাদেরকে বলেছিলাম যে,) “তোমরা ঐসব পবিত্র বস্তু থেকে আহার করো, যা আমি তোমাদেরকে জীবিকা হিসেবে দিয়েছি।” আমি তাদের উপরে অন্যায় করিনি, কিন্তু তারা নিজেদের উপরেই অন্যায় করেছিলো। (২. আল বাক্বারাহ : ৫৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস