(৭) পিতা-মাতা ও নিকট আত্মীয়রা যে সম্পদ রেখে যায়, তা হতে একটি অংশ পুরুষদের জন্যে থাকবে। আর পিতা-মাতা ও নিকট আত্মীয়রা যে সম্পদ রেখে যায়, তা হতে একটি অংশ নারীদের জন্যেও থাকবে। সম্পদ কমই হোক বা বেশি, একটি নির্দিষ্ট অংশ তা হতে অবশ্যই থাকবে, যে সম্পদ তারা রেখে যায়। (৪. আন নিসা : ৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮) আর সম্পদ ভাগাভাগির সময় যখন আত্মীয় স্বজন, পৃতিহীন ও নিঃস্বরা উপস্থিত থাকে, তখন তা থেকে তোমরা তাদেরকে কিছু সম্পদ দান করো। আর তোমরা তাদের সঙ্গে ভালো ভাবে কথাবার্তা বলো। (৪. আন নিসা : ৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯) সেইসব লোক পৃতিহীনদের সম্পদ অন্যায় ভাবে ভোগ করার ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করুক, এজন্যে যে, তারা যদি তাদের পিছনে অসহায় সন্তান সমূহ ফেলে রাখতো, তবে তারা তাদের নিজ সন্তানদের জন্যে আশঙ্কা করতো। সুতরাং তারা আল্লাহকে ভয় করুক এবং সততার সাথে কথাবার্তা বলুক। (৪. আন নিসা : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) নিশ্চয় যারা পৃতিহীনদের সম্পদ সমূহ অন্যায় ভাবে খেয়ে ফেলে, তারা কেবল মাত্র তাদের পেটের মধ্যে আগুন ভর্তি করে। আর তারা শীঘ্রই জ্বলন্ত আগুনের মধ্যে প্রবেশ করবে। (৪. আন নিসা : ১০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১) আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে নির্দেশ দিচ্ছেন। এক ছেলের অংশ দুই মেয়ের সমান। তবে যদি তারা সব মেয়ে হয়, দুই মেয়ে ও এর উর্ধ্বে, তবে তাদের জন্যে পিতা-মাতা যা রেখে গেছে তার দুই তৃতীয়াংশ। আর যদি সে একমাত্র মেয়ে হয় তবে তার জন্যে অর্ধেক। আর তার পিতা-মাতার দুজনের প্রত্যেকের জন্যে, সে যা রেখে গেছে তার ছয় ভাগের একভাগ, যদি তার সন্তান থাকে। কিন্তু তার যদি সন্তান না থাকে ও তার উত্তরাধিকারী হয় পিতা-মাতা, তবে তার মাতার জন্যে এক তৃতীয়াংশ। কিন্তু যদি তার ভায়েরা থাকে, তবে তার মায়ের জন্যে ছয় ভাগের একভাগ, কোনো নির্দেষ দানের পরে, তাতে যা নির্দেষ দিয়ে সে মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পরে। তোমরা জানো না যে, তোমাদের পিতা-মাতা ও তোমাদের সন্তানদের মধ্যে থেকে কে তোমাদের জন্যে উপকারের দিক দিয়ে বেশি নিকটতর। এ হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি বিধান। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (৪. আন নিসা : ১১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস