(১৯৫) তখন তাদের প্রভু তাদের প্রতি সাড়া দিলেন এবং বললেন, “নিশ্চয় আমি তোমাদের মধ্যে কোনো পুরুষ বা নারী কর্মীদের কাজকে বিনষ্ট করবো না। তোমরা পরস্পরে একই রকম। সুতরাং যারা দেশ ত্যাগ করেছে, তাদের নিজেদের ঘর থেকে যারা বহিষ্কৃত হয়েছে, আমার পথে যারা নির্যাতিত হয়েছে আর যারা যুদ্ধ করেছে ও নিহত হয়েছে, অবশ্যই আমি তাদের দোষত্রুটি সমূহ তাদের থেকে মুছে দিবো। আর আমি অবশ্যই তাদেরকে এমন বেহেশতে প্রবেশ করাবো, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়। এ বেহেশত হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পুরস্কার। বস্তুত আল্লাহর কাছে আরো উত্তম পুরস্কার রয়েছে।” (৩. আল ইমরান : ১৯৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯৭) অবিশ্বাসীদের জন্যে পার্থিব জীবন হচ্ছে সামান্য ভোগ মাত্র! তারপর তাদের ঠিকানা হচ্ছে দোযখ। বস্তুত দোযখ হচ্ছে নিকৃষ্ট বাসস্থান। (৩. আল ইমরান : ১৯৭)
- ব্যাখ্যা
(১৯৮) কিন্তু যারা তাদের প্রভুকে ভয় করে, তাদের জন্যে এমন বেহেশত রয়েছে, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়। তারা এ বেহেশতের মধ্যে চিরকাল থাকবে, ইহা আল্লাহর পক্ষ থেকে আপ্যায়ন। আর আল্লাহর কাছে যা রয়েছে সৎলোকদের জন্যে তাই শ্রেয়। (৩. আল ইমরান : ১৯৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯৯) নিশ্চয় গ্রন্থপ্রাপ্তদের মধ্যে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে আর যে কুরআন তোমাদের কাছে অবতীর্ণ হয়েছে ও যে গ্রন্থ তাদের কাছে অবতীর্ণ হয়েছিলো, সকল গ্রন্থের উপরে বিশ্বাস করে, যারা আল্লাহর কাছে বিনীত, তারা আল্লাহর বাণী সমূহের বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য ক্রয় করে না। এরাই হচ্ছে তারা, যাদের জন্যে তাদের প্রভুর কাছে পুরস্কার রয়েছে। নিশ্চয় আল্লাহ হিসাব গ্রহণে তৎপর। (৩. আল ইমরান : ১৯৯)
- ব্যাখ্যা
(২০০) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা ধৈর্য্যধারণ করো ও ধৈর্য্যধারণে অগ্রগামী হও। আর তোমরা শত্রুর মোকাবেলায় অবিচল থেকো ও আল্লাহকে ভয় করো, যেনো তোমরা সাফল্য প্রাপ্ত হতে পারো। (৩. আল ইমরান : ২০০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস