(১৮৭) যাদেরকে গ্রন্থ দেওয়া হয়েছিলো, আল্লাহ যখন তাদের থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলেন যে, “তোমরা অবশ্যই আল্লাহর গ্রন্থকে মানুষের কাছে প্রকাশ করবে ও তা লুকিয়ে রাখবে না।” কিন্তু তারা ঐ অঙ্গীকারকে তাদের পিঠের পিছনে ফেলে রেখে দিয়েছিলো। আর তারা ঐ গ্রন্থের বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য গ্রহণ করেছিলো। সুতরাং তারা যা কিনে নেয়, তা অতি মন্দ। (৩. আল ইমরান : ১৮৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৮৮) যারা ঐ কাজের কারণে আনন্দিত হয় যে কাজ তারা করেছে, আপনি মনে করবেন না যে, এ তাদের জন্যে ভালো। আর তারা এমন কাজের জন্যে প্রশংসা পেতে ভালোবাসে, যা তারা করেনি। সুতরাং আপনি তাদেরকে মনে করবেন না যে, তারা আল্লাহর শাস্তি থেকে নিরাপদ। বস্তুত তাদের জন্যে বেদনাদায়ক শাস্তি রয়েছে। (৩. আল ইমরান : ১৮৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯০) নিশ্চয় নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃষ্টির মধ্যে এবং রাত ও দিনের আবর্তনের মধ্যে অবশ্যই জ্ঞানের অধিকারীদের জন্যে নিদর্শন সমূহ রয়েছে। (৩. আল ইমরান : ১৯০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯১) জ্ঞানের অধিকারীরা হচ্ছে তারা, যারা আল্লাহকে দাঁড়ানো, বসা ও তাদের পার্শ্বের উপরে শায়িত অবস্থায় স্মরণ করে আর নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃষ্টির বিষয়ে গভীর চিন্তা করে। তারা বলে যে, “হে আমাদের প্রভু! এসব আপনি বৃথা সৃষ্টি করেননি, আপনারই সব পবিত্রতা। সুতরাং আপনি আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। (৩. আল ইমরান : ১৯১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯২) হে আমাদের প্রভু! নিশ্চয় আপনি যাকে আগুনের মধ্যে প্রবেশ করাবেন, সুতরাং অবশ্যই আপনি তাকে লাঞ্ছিত করবেন। আর অন্যায়কারীদের জন্যে কোনো সাহায্যকারী থাকবে না। (৩. আল ইমরান : ১৯২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯৩) হে আমাদের প্রভু! নিশ্চয় আমরা শুনেছি একজন আহবানকারীকে বিশ্বাসের প্রতি আহবান করতে, এই বলে যে, ‘তোমরা তোমাদের প্রভুর প্রতি বিশ্বাস করো’। সুতরাং আমরা আপনার প্রতি বিশ্বাস করেছি। হে আমাদের প্রভু! সুতরাং আপনি আমাদের জন্যে আমাদের অপরাধ সমূহ ক্ষমা করুন। আর আপনি আমাদের দোষত্রুটি সমূহ আমাদের থেকে দুর করে দিন। আর আপনি আমাদেরকে সৎলোকদের সঙ্গে মৃত্যু দান করুন। (৩. আল ইমরান : ১৯৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯৪) হে আমাদের প্রভু! আর আপনি আমাদেরকে ঐ বেহেশত প্রদান করুন, যা আপনি আমাদের কাছে আপনার রসূলদের মাধ্যমে অঙ্গীকার করেছেন। আমাদেরকে কিয়ামতের দিনে লাঞ্ছিত করবেন না। নিশ্চয় আপনি অঙ্গীকার ভঙ্গ করেন না।” (৩. আল ইমরান : ১৯৪)
- ব্যাখ্যা