(৭৮) নিশ্চয় তাদের মধ্যে এক দল তাওরাত পড়ার সময় তাদের জিহবাকে বাঁকিয়ে তোলে, যেনো তোমরা ভাবতে পারো যে, তা গ্রন্থ থেকেই পাঠ করা হচ্ছে অথচ তা গ্রন্থ থেকে পাঠ করা হচ্ছে না। আর তারা বলে, “ইহা আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে”, যদিও উহা আল্লাহর পক্ষ থেকে নয় এবং তারা জেনে-শুনে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলে। (৩. আল ইমরান : ৭৮)
- ব্যাখ্যা
(৭৯) কোনো মানুষের জন্যে এটি উচিত নয় যে, আল্লাহ তাকে গ্রন্থ, জ্ঞান ও নবুওয়ত দিবেন, তারপর সে লোকদেরকে বলবে যে, “তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে আমার উপাসনাকারী হয়ে যাও”। বরং সে বলবে, “তোমরা আল্লাহ ভক্ত হয়ে যাও, কেননা তোমরা মানুষকে গ্রন্থ শিক্ষা দিচ্ছো ও আল্লাহর গ্রন্থকে অনুশীলন করছো।” (৩. আল ইমরান : ৭৯)
- ব্যাখ্যা
(৮০) আর সে তোমাদেরকে আদেশ করবে না যে, তোমরা ফেরেশতাদের ও নবীদেরকে প্রভুরূপে গ্রহণ করো। সে কি তোমাদেরকে এর পরেও অবিশ্বাসের দিকে আদেশ করবে, যখন তোমরা আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পিত হয়েছো? (৩. আল ইমরান : ৮০)
- ব্যাখ্যা
(৮১) যখন আল্লাহ নবীদের কাছ থেকে অঙ্গীকার গ্রহন করলেন যে, “অবশ্যই আমি তোমাদেরকে গ্রন্থ ও জ্ঞান প্রদান করবো, তারপর তোমাদের কাছে যা আছে তা সত্যায়নকারী হিসেবে, তোমাদের কাছে যখনি কোনো রসূল আসবেন, তোমরা অবশ্যই তাঁর প্রতি বিশ্বাস করবে ও তোমরা অবশ্যই তাঁকে সাহায্য করবে।” আল্লাহ বলেছিলেন, “তোমরা কি স্বীকার করলে ও এই ব্যাপারে আমার শর্ত গ্রহণ করলে?” তারা বলেছিলো, “আমরা স্বীকার করলাম।” আল্লাহ বলেছিলেন, “সুতরাং তোমরা সাক্ষী থেকো আর আমিও তোমাদের সাথে সাক্ষী থাকলাম।” (৩. আল ইমরান : ৮১)
- ব্যাখ্যা
(৮৩) তবে কি তারা আল্লাহর ধর্ম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্ম খুজঁছে? নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলের সবাই স্বেচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ করে। আর তাঁর কাছেই তাদেরকে ফিরিয়ে আনা হবে। (৩. আল ইমরান : ৮৩)
- ব্যাখ্যা