শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


إِذۡ نَادَىٰهُ رَبُّهُۥ بِٱلۡوَادِ ٱلۡمُقَدَّسِ طُوًى ١٦
(১৬) যখন তাঁর প্রভু তাঁকে পবিত্র তুয়া উপত্যকায় আহবান করেছিলেন? (৭৯. আন নযিআত : ১৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ٱذۡهَبۡ إِلَىٰ فِرۡعَوۡنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ ١٧
(১৭) আমি মূসাকে বললাম, “তুমি ফিরআউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালঙ্ঘন করেছে। (৭৯. আন নযিআত : ১৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَقُلۡ هَل لَّكَ إِلَىٰٓ أَن تَزَكَّىٰ ١٨
(১৮) তারপর তুমি ফিরআউনকে বলো যে, ‘তোমার পবিত্র হওয়ার প্রতি আগ্রহ আছে কি? (৭৯. আন নযিআত : ১৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَأَهۡدِيَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخۡشَىٰ ١٩
(১৯) তাহলে আমি তোমাকে তোমার প্রভুর দিকে পথ দেখাবো, যেনো তুমি আল্লাহকে ভয় করো’।” (৭৯. আন নযিআত : ১৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَأَرَىٰهُ ٱلۡأٓيَةَ ٱلۡكُبۡرَىٰ ٢٠
(২০) তারপর মূসা ফিরআউনকে মহান নিদর্শন দেখালো। (৭৯. আন নযিআত : ২০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ ٢١
(২১) কিন্তু ফিরআউন মিথ্যা আরোপ করলো ও অবাধ্য হলো। (৭৯. আন নযিআত : ২১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ثُمَّ أَدۡبَرَ يَسۡعَىٰ ٢٢
(২২) তারপর ফিরআউন প্রতিকারের চেষ্টা চালাতে প্রস্থান করলো। (৭৯. আন নযিআত : ২২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَحَشَرَ فَنَادَىٰ ٢٣
(২৩) তারপর ফিরআউন সকলকে সমবেত করলো এবং সজোরে আহবান করলো। (৭৯. আন নযিআত : ২৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَقَالَ أَنَا۠ رَبُّكُمُ ٱلۡأَعۡلَىٰ ٢٤
(২৪) ফিরআউন বললো যে, “আমি তোমাদের সর্বোচ্চ পালনকর্তা।” (৭৯. আন নযিআত : ২৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَأَخَذَهُ ٱللَّهُ نَكَالَ ٱلۡأٓخِرَةِ وَٱلۡأُولَىٰٓ ٢٥
(২৫) পরিণামে আল্লাহ ফিরআউনকে পরকালের ও ইহকালের শাস্তি দিয়ে পাকড়াও করলেন। (৭৯. আন নযিআত : ২৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَعِبۡرَةٗ لِّمَن يَخۡشَىٰٓ ٢٦
(২৬) নিশ্চয় এ বৃত্তান্তের মধ্যে ঐ ব্যক্তির জন্যে শিক্ষনীয় বিষয় রয়েছে, যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে। (৭৯. আন নযিআত : ২৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ءَأَنتُمۡ أَشَدُّ خَلۡقًا أَمِ ٱلسَّمَآءُۚ بَنَىٰهَا ٢٧
(২৭) তোমাদেরকে কি সৃষ্টি করা অধিক কঠিন না আকাশকে সৃষ্টি করা অধিক কঠিন, যে আকাশ আল্লাহ নির্মাণ করেছেন? (৭৯. আন নযিআত : ২৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

رَفَعَ سَمۡكَهَا فَسَوَّىٰهَا ٢٨
(২৮) তিনি আকাশের ছাদকে অনেক উচ্চ করেছেন, তারপর আকাশকে সুবিন্যস্ত করেছেন। (৭৯. আন নযিআত : ২৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَأَغۡطَشَ لَيۡلَهَا وَأَخۡرَجَ ضُحَىٰهَا ٢٩
(২৯) তিনি আকাশের রাত্রিকে অন্ধকারে আচ্ছন্ন করেছেন এবং আকাশের দিনকে আলোর মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। (৭৯. আন নযিআত : ২৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَٱلۡأَرۡضَ بَعۡدَ ذَٰلِكَ دَحَىٰهَآ ٣٠
(৩০) তারপর তিনি পৃথিবীকে প্রসারিত করেছেন। (৭৯. আন নযিআত : ৩০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

أَخۡرَجَ مِنۡهَا مَآءَهَا وَمَرۡعَىٰهَا ٣١
(৩১) তিনি পৃথিবীর মধ্যে এর পানি ও উদ্ভিদ নির্গত করেছেন। (৭৯. আন নযিআত : ৩১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَٱلۡجِبَالَ أَرۡسَىٰهَا ٣٢
(৩২) আর পর্বতকে পৃথিবীতে দৃঢ় ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, (৭৯. আন নযিআত : ৩২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

مَتَٰعٗا لَّكُمۡ وَلِأَنۡعَٰمِكُمۡ ٣٣
(৩৩) জীবিকা সামগ্রী রূপে তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের জন্যে। (৭৯. আন নযিআত : ৩৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَإِذَا جَآءَتِ ٱلطَّآمَّةُ ٱلۡكُبۡرَىٰ ٣٤
(৩৪) তারপর যখন মহা সংকট এসে যাবে। (৭৯. আন নযিআত : ৩৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

يَوۡمَ يَتَذَكَّرُ ٱلۡإِنسَٰنُ مَا سَعَىٰ ٣٥
(৩৫) সেই দিন মানুষ ঐ কাজকে স্মরণ করবে, যে কাজ সে পৃথিবীতে করেছিলো। (৭৯. আন নযিআত : ৩৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَبُرِّزَتِ ٱلۡجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ ٣٦
(৩৬) যে ব্যক্তি দেখে ঐ ব্যক্তির জন্যে, ভয়ঙ্কর আগুনকে দৃষ্টিগোচর করানো হবে। (৭৯. আন নযিআত : ৩৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَأَمَّا مَن طَغَىٰ ٣٧
(৩৭) তখন যে ব্যক্তি সীমালঙ্ঘন করেছে (৭৯. আন নযিআত : ৩৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَءَاثَرَ ٱلۡحَيَوٰةَ ٱلدُّنۡيَا ٣٨
(৩৮) এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, (৭৯. আন নযিআত : ৩৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَإِنَّ ٱلۡجَحِيمَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ ٣٩
(৩৯) তবে নিশ্চয় তার ঠিকানা হবে ভয়ঙ্কর আগুন। (৭৯. আন নযিআত : ৩৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَأَمَّا مَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفۡسَ عَنِ ٱلۡهَوَىٰ ٤٠
(৪০) পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং নিজের খেয়াল-খুশী থেকে নিজেকে বিরত রেখেছে, (৭৯. আন নযিআত : ৪০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَإِنَّ ٱلۡجَنَّةَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ ٤١
(৪১) তবে নিশ্চয় তার ঠিকানা হবে বেহেশত। (৭৯. আন নযিআত : ৪১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

يَسۡـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلسَّاعَةِ أَيَّانَ مُرۡسَىٰهَا ٤٢
(৪২) তারা আপনাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, “কখন তা সংঘটিত হবে?” (৭৯. আন নযিআত : ৪২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فِيمَ أَنتَ مِن ذِكۡرَىٰهَآ ٤٣
(৪৩) এ কিয়ামতের বর্ণনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক? (৭৯. আন নযিআত : ৪৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَىٰهَآ ٤٤
(৪৪) কিয়ামতের চূড়ান্ত জ্ঞান আপনার পালনকর্তার কাছে রয়েছে। (৭৯. আন নযিআত : ৪৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِنَّمَآ أَنتَ مُنذِرُ مَن يَخۡشَىٰهَا ٤٥
(৪৫) যে ব্যক্তি কিয়ামতকে ভয় করে, আপনি কেবল মাত্র তাকেই সতর্ক করতে পারবেন। (৭৯. আন নযিআত : ৪৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

كَأَنَّهُمۡ يَوۡمَ يَرَوۡنَهَا لَمۡ يَلۡبَثُوٓاْ إِلَّا عَشِيَّةً أَوۡ ضُحَىٰهَا ٤٦
(৪৬) যেদিন তারা কিয়ামতকে দেখবে, তারা মনে করবে যে, যেনো তারা এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল ব্যতীত বেশী সময় পৃথিবীতে অবস্থান করেনি। (৭৯. আন নযিআত : ৪৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা