(১৪) আর আমরা জানি যে, আমাদের মধ্যে কেউ আত্মসমর্পিত আর আমাদের অন্যরা সীমালঙ্ঘনকারী। সুতরাং যারা আত্মসমর্পণ করেছে, তবে তারাই মঙ্গল বেছে নিয়েছে। (৭২. আল জ্বিন : ১৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৬) আর এটা সত্য যে, সীমালঙ্ঘন-কারীরা যদি সত্য পথের উপরে প্রতিষ্ঠিত থাকতো, তবে আমি অবশ্যই তাদেরকে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করাতাম। (৭২. আল জ্বিন : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) যেনো এ ব্যাপারে আমি তাদেরকে পরীক্ষা করতে পারি। আর যে ব্যক্তি তার প্রভুর স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তিনি তাকে অসহনীয় শাস্তির দিকে পরিচালিত করবেন। (৭২. আল জ্বিন : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) আর আপনি বলুন আমাকে এই ওহী করা হয়েছে যে, “মসজিদ সমূহে আল্লাহকে স্মরণ করার জন্যে। অতএব, তোমরা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কাউকে ডেকো না।” (৭২. আল জ্বিন : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) আর এটা সত্য যে, যখন আল্লাহর বান্দা মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহকে আহবান করতে নামাজে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন জ্বিনেরা প্রায় তাঁর অনেক কাছে এসে ভিড় করলো। (৭২. আল জ্বিন : ১৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২২) আপনি বলুন, “নিশ্চয় আল্লাহর শাস্তি থেকে আমাকে কেউ কখনো রক্ষা করতে পারবে না। আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে, আমি কখনো কোনো আশ্রয়স্থল পাবো না। (৭২. আল জ্বিন : ২২)
- ব্যাখ্যা
(২৩) আমার কাজ কেবল মাত্র আল্লাহর বাণীকে পৌঁছে দেওয়া।” আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অবাধ্যতা করে, তবে নিশ্চয় তার জন্যে দোযখের আগুন রয়েছে। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। (৭২. আল জ্বিন : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৪) অবিশ্বাসীরা বিশ্বাসী হবে না যে পর্যন্ত না, তারা ঐ শাস্তি দেখতে পায়, যা তাদেরকে অঙ্গীকার করা হয়েছিলো। তখন তারা শীঘ্রই জানতে পারবে যে, কে অতি দুর্বল সাহায্যকারী এবং কার বাহিনী সংখ্যায় অতি কম। (৭২. আল জ্বিন : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৫) আপনি বলুন, “যে শাস্তির অঙ্গীকার তোমাদেরকে করা হয়েছে, তা আসন্ন কি না, তা আমি জানি না আর আমি জানি না আমার প্রভু এ শাস্তির জন্যে কোনো দীর্ঘ মেয়াদ স্থির করে রেখেছেন কিনা।” (৭২. আল জ্বিন : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৭) তবে ঐ ব্যক্তির কাছে ব্যতীত, যাঁকে তিনি রসূলদের মধ্যে হতে মনোনীত করেছেন। নিশ্চয় তখন তিনি তাঁর সামনে ও পিছনে একজন প্রহরী ফেরেশতা নিযুক্ত করেন, (৭২. আল জ্বিন : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) যেনো আল্লাহ জানতে পারেন যে, অবশ্যই রসূলগণ তাঁদের প্রভুর বাণী সমূহ পৌঁছে দিয়েছেন। আর তিনি ঐ সব কিছুকে ঘিরে আছেন, যা তাঁদের কাছে আছে। বস্তুত আল্লাহ সব কিছুর সংখ্যার হিসাব রাখেন। (৭২. আল জ্বিন : ২৮)
- ব্যাখ্যা