(১) আপনি বলুন, “আমার কাছে ওহী করা হয়েছে যে, জ্বিনদের মধ্যে একটি দল কুরআন শুনেছে, তারপর তারা বলেছে যে, ‘নিশ্চয় আমরা এক বিস্ময়কর কুরআন শুনেছি; (৭২. আল জ্বিন : ১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২) যে কুরআন সত্যের দিকে পথ প্রদর্শন করে। ফলে আমরা কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করেছি। আর আমরা কখনো আমাদের প্রভুর সাথে অন্য কাউকে অংশীদার করবো না। (৭২. আল জ্বিন : ২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৬) আর এটাও সত্য যে, মানুষের মধ্যে থেকে কিছু ব্যক্তি, জ্বিনদের আশ্রয় গ্রহণ করতো। ফলে মানুষ জ্বিনদের পাপাচার বাড়িয়ে দিতো। (৭২. আল জ্বিন : ৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৭) আর মানুষেরা ধারণা করতো, যেমন তোমরা জ্বিনেরা ধারণা করো যে, মৃত্যুর পর আল্লাহ কখনো কাউকে পুনরায় জীবিত করবেন না। (৭২. আল জ্বিন : ৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯) আমরা আকাশের মধ্যে বিভিন্ন বসার জায়গা গুলোয় সংবাদ শ্রবণের জন্যে বসতাম। কিন্তু এখন যে কেউ সংবাদ শুনতে চায়, সে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ডকে তার জন্যে পেতে রাখা হয়েছে দেখতে পায়। (৭২. আল জ্বিন : ৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০) আমরা জানি না যে, পৃথিবীর মধ্যে যারা রয়েছে, তাদের জন্যে অমঙ্গল কামনা করা হয়েছে, না কি তাদের প্রভু তাদের জন্যে মঙ্গল কামনা করছেন? (৭২. আল জ্বিন : ১০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১) আর আমরা জানি যে, আমাদের মধ্যে থেকে কেউ সৎকর্মপরায়ণ আর কেউ এর বিপরীত। বস্তুত আমরা বিভিন্ন পথে বিভক্ত ছিলাম। (৭২. আল জ্বিন : ১১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১২) আর আমরা জানি যে, আমাদেরকে শাস্তি দেয়ার ব্যাপারে আমরা পৃথিবীতে কখনো আল্লাহকে অক্ষম করতে পারবো না এবং পালিয়ে গিয়েও তাঁকে কখনো এড়াতে পারবো না। (৭২. আল জ্বিন : ১২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৩) আর এটা সত্য যে, আমরা যখন সুপথের নির্দেশ কুরআনকে শুনলাম, তখন আমরা কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করেছি। সুতরাং, যে ব্যক্তি তার প্রভুর প্রতি বিশ্বাস করে, তবে সে ব্যক্তি ক্ষতি অথবা লাঞ্ছনা হওয়ার আশঙ্কা করে না। (৭২. আল জ্বিন : ১৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস