(৫৩) হে আমাদের প্রভু! আমরা বিশ্বাস করি ইঞ্জীলের প্রতি, যা আপনি আমাদের জন্যে অবতীর্ণ করেছেন। আর আমরা রসূলকে অনুসরণ করি। সুতরাং আপনি আমাদের নামকে সাক্ষ্য দাতাদের নামের সাথে লিখে রাখুন।” (৩. আল ইমরান : ৫৩)
- ব্যাখ্যা
(৫৫) যখন আল্লাহ বললেন, “হে ঈসা, নিশ্চয় আমি তোমাকে আমার পক্ষ থেকে গ্রহণ করবো ও আমি তোমাকে আমার নিজের দিকে তুলে নিবো। আর আমি তোমাকে তাদের থেকে পবিত্র করবো, যারা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করে। যারা তোমাকে অনুসরণ করবে, তাদেরকে আমি অবিশ্বাসীদের উপরে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত মর্যাদায় উচু স্থান দিবো। এরপর আমার কাছেই তোমাদেরকে ফিরে আসতে হবে। তারপর আমি তোমাদের মধ্যে সেই বিষয়ে বিচার করে দিবো, যে বিষয়ে তোমরা মতভেদ করছো। (৩. আল ইমরান : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৬) সুতরাং তাদের ক্ষেত্রে যারা আমাকে অবিশ্বাস করে, আমি তাদেরকে এই দুনিয়াতে ও পরকালে কঠোর শাস্তি দিবো। আর তাদের জন্যে কোনো সাহায্যকারী নেই। (৩. আল ইমরান : ৫৬)
- ব্যাখ্যা
(৫৭) আর তাদের ক্ষেত্রে, যারা আমার প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, সুতরাং আমি তাদেরকে পরিপূর্ণ ভাবে তাদের প্রাপ্য দিবো। বস্তুত অন্যায়কারীদেরকে আল্লাহ ভালোবাসেন না।” (৩. আল ইমরান : ৫৭)
- ব্যাখ্যা
(৫৯) নিশ্চয় আল্লাহর কাছে ঈসার দৃষ্টান্ত হচ্ছে, আদমের দৃষ্টান্তের মতো। আল্লাহ আদমকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছিলেন। তারপর আল্লাহ তাঁকে বলেছিলেন, “হয়ে যাও”, সুতরাং তখনি আদম হয়ে গেলো। (৩. আল ইমরান : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
(৬১) সুতরাং আপনার কাছে জ্ঞানের যে বাণী এসেছে এর পরেও, যারা আপনার সাথে কুরআন নিয়ে তর্ক করে, তাহলে আপনি তাদেরকে বলুন, “তোমরা এসো, আমরা ডেকে আনি আমাদের সন্তানদেরকে ও তোমাদের সন্তানদেরকে, আমাদের স্ত্রীদেরকে ও তোমাদের স্ত্রীদেরকে, আমাদের লোকদেরকে ও তোমাদের লোকদেরকে, তারপর একান্ত ভাবে আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, যেনো মিথ্যাবাদীদের উপরে আল্লাহর অভিশাপ পড়ে।” (৩. আল ইমরান : ৬১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস