(৮) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো, তোমরা আল্লাহর কাছে আন্তরিক ভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করো। আশা করা যায় যে, তোমাদের প্রভু তোমাদের পাপ সমূহ তোমাদের থেকে মোচন করে দিবেন ও তোমাদেরকে এমন বেহেশতে প্রবেশ করাবেন, যার নিচে দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়। নবীকে ও যারা তাঁর সঙ্গে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে, সেই দিন আল্লাহ তাদেরকে অপদস্থ করবেন না। তাদের আলো তাদের সামনে ও তাদের ডানপাশে ছুটাছুটি করবে। তারা বলবে, “হে আমাদের প্রভু, আমাদের আলোকে আমাদের জন্যে পূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।” (৬৬. আত তাহরীম : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) হে প্রিয় নবী! আপনি অবিশ্বাসী ও দ্বিমুখীদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করুন এবং তাদের প্রতি কঠোর হোন। তাদের ঠিকানা হচ্ছে দোযখ। বস্তুত দোযখ কতই না নিকৃষ্ট ঠিকানা। (৬৬. আত তাহরীম : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তাদের জন্যে আল্লাহ নূহের স্ত্রীর ও লূতের স্ত্রীর একটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা করছেন। তারা উভয়ে আমার দুইজন সৎকর্মশীল বান্দার অধীনস্ত ছিলো। তারপর নূহের স্ত্রী ও লূতের স্ত্রী, নূহ ও লূতের সাথে বিশ্বাস-ঘাতকতা করলো। ফলে নূহ ও লূত আল্লাহর শাস্তির বিরুদ্ধে তাদের উভয়ের জন্যে কোনো উপকারে আসলো না। নূহের স্ত্রী ও লূতের স্ত্রীকে বলা হলো, “তোমরা দুইজনে দোযখে প্রবেশকারীদের সঙ্গে আগুনে প্রবেশ করো।” (৬৬. আত তাহরীম : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে, তাদের জন্যে আল্লাহ ফিরআউনের স্ত্রীর একটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা করছেন। যখন ফিরআউনের স্ত্রী বললো, “হে আমার প্রভু! আমার জন্যে আপনার সন্নিকটে বেহেশতের মধ্যে একটি ঘর তৈরি করুন। আমাকে ফিরআউন ও তার খারাপ কার্যাবলী থেকে উদ্ধার করুন। আর আমাকে এ অন্যায়কারী জাতি থেকে উদ্ধার করুন।” (৬৬. আত তাহরীম : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) আল্লাহ ইমরানের কন্যা মারইয়ামের দৃষ্টান্ত বর্ণনা করছেন, যে তার সতীত্ব বজায় রেখেছিলো। তারপর আমি তার মধ্যে আমার পক্ষ থেকে আত্মা ফুঁকে দিয়েছিলাম আর সে তার প্রভুর বাণীকে ও তাঁর গ্রন্থ গুলোকে সত্য হিসেবে স্বীকার করেছিলো। আর সে বিনয়ীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। (৬৬. আত তাহরীম : ১২)
- ব্যাখ্যা