(১) হে প্রিয় নবী! আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্যে কেনো নিজের জন্যে তা অবৈধ করতে চাচ্ছেন, যা আল্লাহ আপনার জন্যে বৈধ করেছেন? বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৬৬. আত তাহরীম : ১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২) আল্লাহ তোমাদের জন্যে শপথ থেকে মুক্তি লাভের উপায় নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আল্লাহ হচ্ছেন তোমাদের মালিক আর তিনিই সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (৬৬. আত তাহরীম : ২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩) যখন নবী তাঁর স্ত্রী হাফসা রাযিআল্লাহু আনহার কাছে, একটি কথা গোপনে বললেন। তারপর হাফসা রাযিআল্লাহু আনহা যখন তা আয়েশা রাযিআল্লাহু আনহাকে বলে দিলেন। আর আল্লাহ নবীকে এ সম্পর্কে জানিয়ে দিলেন, তখন নবী সেই বিষয়ে হাফসা রাযিআল্লাহু আনহাকে কিছু জানালেন এবং কিছু জানালেন না, তখন হাফসা রাযিআল্লাহু আনহা বললেন, “কে আপনাকে এ সম্পর্কে জানিয়েছেন?” নবী বললেন, “আমাকে তিনি জানিয়েছেন, যিনি সর্বজ্ঞ, চির অবগত।” (৬৬. আত তাহরীম : ৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪) যদি তোমরা হাফসা ও আয়েশা রাযিআল্লাহু আনহা উভয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, তবে নিশ্চয় তা এ কারণে যে, তোমাদের উভয়ের অন্তর অন্যায়ের দিকে ঝুঁকে পড়েছিলো আর এ ক্ষেত্রে ক্ষমা প্রার্থনাই উত্তম। আর যদি নবীর বিরুদ্ধে তোমরা একে অপরকে সাহায্য করো, তবে তোমরা জেনে রেখো, নিশ্চয় নবীর সহায্যকারী হচ্ছেন আল্লাহ, জিবরিল ও সৎকর্মপরায়ণ বিশ্বাসীগণ। তাছাড়া অন্যান্য সকল ফেরেশতাগণও নবীর সাহায্যকারী। (৬৬. আত তাহরীম : ৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫) যদি নবী তোমাদেরকে পরিত্যাগ করেন, তবে হতে পারে যে, তাঁর প্রভু তাঁকে তোমাদের চাইতে উত্তম স্ত্রী পরিবর্তন করে দিবেন, যারা হবে অনুগত, বিশ্বাসি, বিনয়ী, অনুতাপকারি, উপাসনাকারি, রোযা পালনকারি, অকুমারী ও কুমারী। (৬৬. আত তাহরীম : ৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৬) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো, তোমরা নিজেদেরকে ও তোমাদের পরিবারকে ঐ আগুন থেকে রক্ষা করো, যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর। যে আগুনের উপরে পাষাণ হৃদয়, কঠোর স্বভাব ফেরেশতাগণ নিয়োজিত আছে। আল্লাহ যা তাদেরকে আদেশ করেন, তারা তা অমান্য করে না আর যা করতে তাদেরকে আদেশ করা হয়, তারা তাই করে। (৬৬. আত তাহরীম : ৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৭) অবিশ্বাসীদেরকে বলা হবে, “ওহে যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করেছো! তোমরা আজ কোনো অজুহাত পেশ করো না। কেবল মাত্র তোমাদেরকে ঐ কাজের কারণে প্রতিফল দেওয়া হবে, যা তোমরা করেছিলে।” (৬৬. আত তাহরীম : ৭)
- ব্যাখ্যা