(৪৭) মারইয়াম বললো, “হে আমার প্রভু! কোথা থেকে আমার ছেলে হবে অথচ কোনো পুরুষ মানুষ আমাকে স্পর্শ করেনি?” আল্লাহ বললেন, “এভাবেই হবে, আল্লাহ তাই সৃষ্টি করেন যা তিনি ইচ্ছা করেন। তিনি যখন কোনো বিষয়ের সিদ্ধান্ত করেন, তখন তিনি সেই সম্পর্কে শুধু বলেন, ‘হয়ে যাও’ সুতরাং তখনি তা হয়ে যায়। (৩. আল ইমরান : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৯) আর ইসরাঈল বংশীয়দের প্রতি রসূল হিসেবে তিনি প্রেরিত হবেন।” যখন ঈসা বলেছিলেন, “নিশ্চয় আমি তোমাদের কাছে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে নিদর্শন নিয়ে এসেছি। আমি তোমাদের জন্যে মাটি দ্বারা পাখীর মতো আকৃতি তৈরী করি, তারপর তার মধ্যে আমি ফুঁ দেই, তখন তা আল্লাহর ইচ্ছায় পাখী হয়ে যায়। আমি আল্লাহর ইচ্ছায় অন্ধকে ও কুষ্ঠ রুগীকে আরোগ্য করি আর আমি আল্লাহর ইচ্ছায় মৃতকে জীবন দেই। আমি তোমাদেরকে ঐসব বিষয়ের সংবাদ দেই, যেসব তোমরা খেয়ে আসো ও যা তোমরা নিজেদের বাড়ির মধ্যে রেখে আসো। নিশ্চয় এর মধ্যে তোমাদের জন্যে নিদর্শন আছে, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হও। (৩. আল ইমরান : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
(৫০) আর আল্লাহর পক্ষ থেকে যে তাওরাত আমার পূর্বে এসেছে, আমি তার সত্যায়নকারী। আর আমি যেনো তোমাদের জন্যে কিছু বিষয় বৈধ করতে পারি, যা তোমাদের উপরে ইতিপূর্বে নিষিদ্ধ হয়েছিলো। আমি তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে নিদর্শন নিয়ে এসেছি। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো ও আমাকে অনুসরণ করো। (৩. আল ইমরান : ৫০)
- ব্যাখ্যা
(৫২) কিন্তু যখন ঈসা তাদের মধ্যে আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস সম্পর্কে উপলব্ধি করলেন, তখন তিনি বললেন, “কে কে আছে, যারা আল্লাহর পথে আমাকে সাহায্য করবে?” ঈসার সাথীরা বললো, “আমরা আল্লাহর পথে সাহায্যকারী হবো। আমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করি আর আপনি সাক্ষী থাকুন যে, আমরা অনুগত। (৩. আল ইমরান : ৫২)
- ব্যাখ্যা