(৬) তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তোমরা তোমাদের স্ত্রীদেরকে সেখানে বাস করতে দাও, যেখানে তোমরা বাস করছো। তাদের উপরে অবস্থা সংকটময় করে তোলার জন্যে, তোমরা তাদেরকে কষ্ট দিয়ো না। যদি তারা গর্ভবতী হয়, তবে তোমরা তাদের জন্যে সম্পদ ব্যয় করবে, যে পর্যন্ত না, তারা তাদের গর্ভ প্রসব করে। তারপর যদি তারা তোমাদের সন্তানদের জন্যে স্তন্যদান করে, তাহলে তোমরা তাদেরকে তাদের প্রতিদান দিবে আর এ সম্পর্কে তোমাদের মধ্যে ভালো ভাবে পরামর্শ করবে। তোমরা যদি পরস্পর জেদ করো, তবে সন্তানের জন্যে অন্য নারী স্তন্যদান করবে। (৬৫. আত্ব-ত্বালাক্ব : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) বিত্তশালী ব্যক্তি যেনো তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করে। আর যার উপরে তার জীবিকাকে সীমিত করা হয়েছে, তবে আল্লাহ তাকে যা দিয়েছেন, ঐ সম্পদ থেকে সে ব্যয় করবে। আল্লাহ যাকে যতটুকু সম্পদ দিয়েছেন, তার বেশি কাউকে সম্পদ ব্যয়ের কষ্ট দেন না। আল্লাহ শীঘ্রই কষ্টের পর সুখ দিবেন। (৬৫. আত্ব-ত্বালাক্ব : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) কতই না জনপদ তাদের প্রভু ও তাঁর রসূলগণের আদেশকে অমান্য করেছিলো, তারপর আমি তাদের কঠোর হিসাব নিয়েছিলাম। আর আমি তাদেরকে ভীষণ শাস্তি দিয়েছিলাম। (৬৫. আত্ব-ত্বালাক্ব : ৮)
- ব্যাখ্যা
(১০) আল্লাহ তাদের জন্যে কঠোর শাস্তি প্রস্তত করে রেখেছেন। অতএব, হে জ্ঞানের অধিকারীরা, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের প্রতি উপদেশ স্বরূপ কুরআনকে অবতীর্ণ করেছেন। (৬৫. আত্ব-ত্বালাক্ব : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) নিশ্চয় মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন রসূল, যিনি তোমাদের কাছে আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াত সমূহ পাঠ করেন, যেনো তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনতে পারেন, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, তিনি তাকে এমন বেহেশতে প্রবেশ করাবেন, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। অবশ্যই আল্লাহ, এরূপ ব্যক্তির জন্যে তার জীবিকাকে অতি উত্তম করে রেখেছেন। (৬৫. আত্ব-ত্বালাক্ব : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) তিনিই আল্লাহ, যিনি সাত আকাশ আর পৃথিবীর বেলায়ও আকাশের অনুরূপ সাত পৃথিবীর স্তর সৃষ্টি করেছেন, এসবের মধ্যে আল্লাহর আদেশ অবতীর্ণ হয়, যেনো তোমরা জানতে পারো যে, আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। আর তোমরা জানতে পারো যে, অবশ্যই আল্লাহ সব কিছুকে স্বীয় জ্ঞানের দ্বারা ঘিরে রেখেছেন। (৬৫. আত্ব-ত্বালাক্ব : ১২)
- ব্যাখ্যা