(১) হে প্রিয় নবী! আপনি বলে দিন, “তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও, তখন তাদেরকে তালাক দিয়ো তাদের ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে আর তোমরা ইদ্দত গণনা করো। তোমরা তোমাদের প্রভু আল্লাহকে ভয় করো। তোমরা তাদেরকে তাদের ঘর থেকে বের করে দিও না আর তারাও যেনো বেরিয়ে না যায়, তবে এ ব্যতীত যে, যদি তারা কোনো স্পষ্ট নির্লজ্জ কাজে লিপ্ত হয়।” এগুলো হচ্ছে আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে ব্যক্তি আল্লাহর নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করে, তবে ঐ ব্যক্তি নিজের প্রতিই অন্যায় করে। সে জানে না, হয়তো আল্লাহ এই তালাকের পরে উভয়ের জন্যে কোন ভালো উপায় করে দিবেন। (৬৫. আত্ব-ত্বালাক্ব : ১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২) তারপর তোমাদের স্ত্রীরা যখন তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে যায়, তখন হয় তোমরা তাদেরকে ভালো ভাবে রেখে দিবে অথবা তোমরা ভালো ভাবে তাদেরকে ছেড়ে দিবে। তোমরা তোমাদের মধ্যে থেকে দুইজন নির্ভর যোগ্য মানুষকে সাক্ষী রাখবে। তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য প্রতিষ্ঠিত করবে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস করে, এই কুরআনের দ্বারা তাকে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে। যে কেউ আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্যে নিস্কৃতির পথ করে দিবেন। (৬৫. আত্ব-ত্বালাক্ব : ২)
- ব্যাখ্যা
(৩) আর তিনি তাকে এমন দিক থেকে জীবিকা প্রদান করবেন, যা সে ধারণাও করবে না। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপরে ভরসা করে, তবে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর নিজের কাজ পূরণ করেই থাকেন। অবশ্যই আল্লাহ সব কিছুর জন্যে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন। (৬৫. আত্ব-ত্বালাক্ব : ৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪) তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের ঋতুবর্তী হওয়ার সম্ভাবনা নেই, যদি তাদের ব্যাপারে তোমরা সন্দেহ করো, তাহলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস। আর তাদেরও অনুরূপ ইদ্দতকাল হবে, যাদের এখনও ঋতু হয়নি। আর ঐ সকল নারীরা যারা গর্ভবর্তী, তাদের ইদ্দতকাল হচ্ছে তাদের গর্ভপ্রসব পর্যন্ত। যে কেউ আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্যে তার কাজকে সহজ করে দিবেন। (৬৫. আত্ব-ত্বালাক্ব : ৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫) কুরআন আল্লাহর নির্দেশ, যা তিনি তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করেছেন। যে কেউ আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার থেকে তার পাপ সমূহ মোচন করবেন আর তার জন্যে প্রতিদান বাড়িয়ে দিবেন। (৬৫. আত্ব-ত্বালাক্ব : ৫)
- ব্যাখ্যা