(১০) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে এবং আমার নিদর্শন সমূহকে মিথ্যা বলে, এরাই হচ্ছে আগুনের অধিবাসী, তারা সেখানে চিরকাল বসবাস করবে। বস্তুত আগুন কতই না মন্দ ঠিকানা! (৬৪. আত তাগাবুন : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত কারো উপরে কোনো বিপদ আসে না। যে কেউ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে, তিনি তার হৃদয়কে সৎপথ প্রদর্শন করেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছু সম্পর্কে সর্বজ্ঞ। (৬৪. আত তাগাবুন : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো ও রসূলের আনুগত্য করো। কিন্তু যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তাহলে তোমরা জেনে রেখো যে, আমার রসূলের দায়িত্ব কেবল সুস্পষ্ট ভাবে আমার বাণী সমূহকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। (৬৪. আত তাগাবুন : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৪) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! নিশ্চয় তোমাদের স্ত্রীদের ও সন্তান সমূহের মধ্যে অনেকেই তোমাদের শত্রু। অতএব তোমরা তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকো। কিন্তু যদি তোমরা মার্জনা করো, উপেক্ষা করো আর ক্ষমা করো, তাহলে তোমরা জেনে রেখো যে, নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৬৪. আত তাগাবুন : ১৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৫) কেবল মাত্র তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের সন্তান তো এক পরীক্ষা স্বরূপ। বস্তুত আল্লাহর কাছেই মহা পুরস্কার রয়েছে। (৬৪. আত তাগাবুন : ১৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৬) অতএব তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় করো। তোমরা কুরআন মন দিয়ে শুনো ও তোমরা আল্লাহ ও রসূলের আনুগত্য করো। তোমরা তোমাদের সম্পদ ব্যয় করো। এটা তোমাদের নিজেদের জন্যে কল্যাণকর। যে কেউ তার মনের কৃপণতা থেকে মুক্ত, তবে এরাই সাফল্য প্রাপ্ত। (৬৪. আত তাগাবুন : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) যদি তোমরা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দান করো, তিনি তোমাদের জন্যে তা বহু গুণিত বৃদ্ধি করে দিবেন আর তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন গুণগ্রাহী, সহনশীল। (৬৪. আত তাগাবুন : ১৭)
- ব্যাখ্যা