(৫) যখন দ্বিমুখীদেরকে বলা হয়, “তোমরা এসো, আল্লাহর রসূল তোমাদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন”, তখন তারা তাদের মাথা ঘুরিয়ে নেয় এবং আপনি তাদেরকে দেখবেন যে, তারা অহঙ্কারী হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। (৬৩. মুনাফিকুন : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) আপনি দ্বিমুখীদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করুন অথবা আপনি তাদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা নাই করুন, তাদের উপরে উভয়ই সমান। আল্লাহ কখনো তাদেরকে ক্ষমা করবেন না। নিশ্চয় আল্লাহ সত্যত্যাগী জাতিকে পথ প্রদর্শন করেন না। (৬৩. মুনাফিকুন : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) দ্বিমুখীরা বলে, “আল্লাহর রসূলের সঙ্গে যারা আছে, তাদের জন্যে তোমরা সম্পদ ব্যয় করো না। যে পর্যন্ত না, তারা ইসলাম থেকে সরে পড়ে।” বস্তুত নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের ধনভান্ডার আল্লাহর জন্যেই, কিন্তু দ্বিমুখীরা তা বুঝে না। (৬৩. মুনাফিকুন : ৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮) দ্বিমুখীরা বলে, “আমরা যদি মদীনায় ফিরে যাই, তবে মদীনা থেকে সম্মানীতরা অবশ্যই নীচুদেরকে বের করে দিবে।” সম্মান তো কেবল মাত্র আল্লাহ, তাঁর রসূল ও বিশ্বাসীদের জন্যেই, কিন্তু দ্বিমুখীরা তা জানে না। (৬৩. মুনাফিকুন : ৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমাদের সম্পদ ও সন্তান যেনো তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে ফিরিয়ে না রাখে। যারা এমন করে, তবে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত। (৬৩. মুনাফিকুন : ৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০) আমি তোমাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছি, তা থেকে তোমরা ব্যয় করো, এর আগেই যে, তোমাদের কোনো একজনের কাছে মৃত্যু এসে পড়বে, তারপর তাকে এ কথা বলতে হয় যে, “হে আমার প্রভু, আমাকে আরো কিছুকাল পর্যন্ত অবকাশ দিলে না কেনো? তাহলে আমি আমার সম্পদ দান করতাম এবং আমি সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।” (৬৩. মুনাফিকুন : ১০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১) যখন কারো নির্ধারিত সময় উপস্থিত হয়, তখন আল্লাহ কাউকে অবকাশ দেন না। বস্তুত তোমরা যা করো, আল্লাহ ঐ সম্পর্কে অবগত আছেন। (৬৩. মুনাফিকুন : ১১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস