(৯) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! জুমুয়ার দিনে যখন নামাযের জন্যে আহবান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের জন্যে মসজিদের দিকে তাড়াতাড়ি করবে আর তোমরা বেচাকেনা বন্ধ রাখবে। এটা তোমাদের জন্যে উত্তম, যদি তোমরা জানতে! (৬২. আল জুমুয়াহ : ৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০) তারপর যখন জুমুয়ার নামায শেষ হয়ে যায়, তখন তোমরা পৃথিবীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ো আর আল্লাহর অনুগ্রহকে অণুসন্ধান করো ও আল্লাহকে অধিক স্মরণ করো, যেনো তোমরা সাফল্য প্রাপ্ত হও। (৬২. আল জুমুয়াহ : ১০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১) তারা যখন কোনো ব্যবসায়ের সুযোগ অথবা ক্রীড়া কৌতুক দেখে, তখন তারা আপনাকে খুতবার সময় দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেই দিকে ছুটে যায়। আপনি বলুন, “আল্লাহর কাছে যা আছে, তা ক্রীড়া কৌতুক ও ব্যবসায় অপেক্ষা উৎকৃষ্ট। আল্লাহই সর্বোত্তম জীবিকা দাতা।” (৬২. আল জুমুয়াহ : ১১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১) দ্বিমুখীরা যখন আপনার কাছে আসে তখন তারা বলে, “আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয় আপনি আল্লাহর রসূল।” আল্লাহ জানেন যে, নিশ্চয় আপনি আল্লাহর রসূল আর আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, নিশ্চয় দ্বিমুখীরা মিথ্যাবাদী। (৬৩. মুনাফিকুন : ১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২) তারা তাদের শপথ গুলোকে ঢাল রূপে ব্যবহার করে। তারপর তারা আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বাধা দেয়। নিশ্চয় তারা যা করছে, তা খুবই মন্দ আচরণ। (৬৩. মুনাফিকুন : ২)
- ব্যাখ্যা
(৩) এটা এজন্যে যে, দ্বিমুখীরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করার পর পুনরায় অবিশ্বাস করেছে। সেই জন্যে তাদের হৃদয়ের উপরে মোহর মেরে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং তারা কুরআনকে বুঝে না। (৬৩. মুনাফিকুন : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৪) আপনি যখন দ্বিমুখীদেরকে দেখেন, তখন তাদের শারিরীক গঠন আপনার কাছে প্রীতিকর মনে হয়। যদি তারা কথা বলে, তখন আপনি তাদের কথা মন দিয়ে শুনে থাকেন। বস্তুত তারা যেনো প্রাচীরে ঠেকানো কাঠ সদৃশ, কেননা তারা প্রত্যেক শোরগোলকে নিজেদের বিরুদ্ধে মনে করে। তারাই তোমাদের বড় শত্রু, অতএব তাদের সম্পর্কে তোমরা সতর্ক হও। আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করুন। তারা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছে? (৬৩. মুনাফিকুন : ৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস