(১২) হে প্রিয় নবী! যখন বিশ্বাসি নারীরা আপনার কাছে আসে এবং আপনার নিকট এই বিষয় গুলোর উপর আনুগত্যের শপথ করে যে, তারা আল্লাহর সঙ্গে কোনো কিছুকে অংশীদার করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, তাদের সন্তানদেরকে তারা হত্যা করবে না, তারা এমন কোনো জারজ সন্তানকে আপন গর্ভজাত বলে মিথ্যা দাবী করবে না, যা তাদের হাতের ও তাদের পায়ের মধ্যে তারা জন্ম দেয় আর কোনো ভালো কাজের ব্যাপারে তারা আপনার অবাধ্যতা করবে না, তাহলে তাদের আনুগত্য আপনি গ্রহণ করুন এবং আপনি আল্লাহর কাছে তাদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৬০. আল মুমতাহিনা : ১২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৩) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা ঐ জাতির সঙ্গে বন্ধুত্ব করো না, যাদের প্রতি আল্লাহ ত্রুদ্ধ হয়েছেন। অবশ্যই ঐ জাতি পরকাল সম্পর্কে হতাশ হয়ে পড়েছে, যেমন অবিশ্বাসীরা কবরের অধিবাসীদের সম্পর্কে হতাশ হয়ে পড়েছে। (৬০. আল মুমতাহিনা : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(৫) যখন মূসা তাঁর জাতিকে বলেছিলেন, “হে আমার জাতি! তোমরা কেনো আমাকে কষ্ট দাও, অথচ অবশ্যই তোমরা জানো যে, আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ হতে প্রেরিত রসূল।” তারপর তারা যখন বিমুখ হয়ে গিয়েছিলো, তখন আল্লাহ তাদের হৃদয়কে সত্য থেকে বিমুখ করে দিলেন। বস্তুত আল্লাহ সত্যত্যাগী জাতিকে পথ প্রদর্শন করেন না। (৬১. আছ ছফ : ৫)
- ব্যাখ্যা