(১) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু রূপে গ্রহণ করো না। তোমরা তো তাদের প্রতি বন্ধুত্বের বার্তা পাঠাও, অথচ তারা ঐ কুরআনকে অস্বীকার করে, যে কুরআন সত্যসহ তোমাদের কাছে এসেছে। তারা রসূলকে ও তোমাদেরকে কেবল মাত্র এই অপরাধে ঘর থেকে বের করে দেয় যে, তোমরা তোমাদের প্রভু আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করো। যদি তোমরা আমার সন্তুষ্টি সন্ধানের জন্যে ও আমার পথে সংগ্রাম করতে বের হয়ে থাকো, তবে কেনো তোমরা তাদের প্রতি গোপনে বন্ধুত্বের বার্তা প্রেরণ করছো? অথচ আমি ঐ সম্পর্কে ভালো জানি, যা তোমরা গোপন করো এবং যা তোমরা প্রকাশ করো। তোমাদের মধ্যে যে কেউ এটা করবে, তবে অবশ্যই সে সরলপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যাবে। (৬০. আল মুমতাহিনা : ১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২) যদি তারা তোমাদেরকে কাবু করতে পারে, তাহলে তারা তোমাদের শত্রু হয়ে যায় এবং তারা মন্দ ভাবে তোমাদের প্রতি তাদের হাত ও জিহবা প্রসারিত করে। তারা চায় যে, যেনো তোমরাও তাদের মতো আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করো। (৬০. আল মুমতাহিনা : ২)
- ব্যাখ্যা
(৩) কিয়ামতের দিন যখন আল্লাহ তোমাদের মধ্যে মীমাংসা করবেন, তখন তোমাদের রক্ত-সম্পর্কীয় আত্মীয় ও সন্তান তোমাদের কোনো উপকারে আসবে না। বস্তুত তোমরা যা করো, আল্লাহ তা সবই দেখেন। (৬০. আল মুমতাহিনা : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৪) ইব্রাহীম ও যারা তাঁর সঙ্গে ছিলো তাদের মধ্যে তোমাদের জন্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। যখন তারা তাদের জাতিকে বলেছিলো, “নিশ্চয় আমরা তোমাদের থেকে দায় মুক্ত আর তাদের থেকেও দায় মুক্ত আল্লাহকে বাদ দিয়ে, তোমরা যাদের উপাসনা করো। আমরা তোমাদেরকে মানি না। কাজেই তোমাদের মধ্যে ও আমাদের মধ্যে শত্রুতা ও হিংসা সৃষ্টি হলো যা সর্বদাই বিদ্যমান থাকবে, যতক্ষণ তোমরা আল্লাহর প্রতি ও তাঁর একত্বে বিশ্বাস না করো।” কিন্তু ইব্রাহীমের উক্তি তাঁর পিতার প্রতি এই আদর্শের ব্যতিক্রম ছিলো। ইব্রাহীম বলেছিলেন, “আমি অবশ্যই তোমার জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করবো। তোমার জন্যে আল্লাহর কাছে দোয়া ব্যতীত আমার কোনো কিছুই করার ক্ষমতা নেই। হে আমাদের প্রভু! আমরা আপনার উপরেই ভরসা করেছি। আমরা আপনার দিকেই অভিমুখী হয়েছি। আর আপনার কাছেই আমাদেরকে ফিরে যেতে হবে। (৬০. আল মুমতাহিনা : ৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫) হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদেরকে অবিশ্বাসীদের জন্যে পরীক্ষার পাত্র বানাবেন না। আর হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।” (৬০. আল মুমতাহিনা : ৫)
- ব্যাখ্যা