(১৭) সুতরাং কুফরকারী ও কুফরীর হুকুমদাতা উভয়ের পরিণতি হবে এই যে, তারা আগুনের মধ্যে যাবে, তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে। আর এটাই হচ্ছে অন্যায়কারীদের প্রতিফল। (৫৯. আল হাশর : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, আগামী কালের জন্যে সে কি প্রেরণ করবে, তা চিন্তা করা। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয় তোমরা যা করো, আল্লাহ ঐ সম্পর্কে অবগত আছেন। (৫৯. আল হাশর : ১৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯) তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা আল্লাহকে ভুলে গেছে। ফলে আল্লাহ তাদেরকে তাদের নিজেদের সম্পর্কে ভুলিয়ে দিয়েছেন। বস্তুত এরাই হচ্ছে অবাধ্য। (৫৯. আল হাশর : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২১) আমি যদি এই কুরআনকে কোনো পাহাড়ের উপর অবতীর্ণ করতাম, তাহলে অবশ্যই আপনি দেখতে পেতেন যে, পাহাড় বিনীত হয়ে আল্লাহর ভয়ে বিদীর্ণ হয়ে গেছে। আমি এসব উপমা মানুষের জন্যে বর্ণনা করছি, যেনো তারা চিন্তা করে। (৫৯. আল হাশর : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) তিনিই আল্লাহ, যিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্য সম্পর্কে পরিজ্ঞাত। তিনি অতি দয়াময়, অতি দয়ালু। (৫৯. আল হাশর : ২২)
- ব্যাখ্যা
(২৩) তিনিই আল্লাহ, যিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, মহা পবিত্র, শান্তিদাতা ও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রমশালী, কল্যাণময়, গৌরবান্নিত। তারা যাকে অংশীদার করে, তা থেকে আল্লাহ পবিত্র। (৫৯. আল হাশর : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৪) তিনিই আল্লাহ, সৃষ্টিকর্তা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নাম সমূহ তাঁর জন্যেই। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবাই তাঁরই পবিত্রতা ঘোষণা করে আর তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (৫৯. আল হাশর : ২৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস