(৪) এটা এ কারণে যে, তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরোধীতা করেছে। আর যে কেউ আল্লাহর বিরোধীতা করে, তবে তার জানা উচিত যে, নিশ্চয় আল্লাহ প্রতিফল দানে কঠোর। (৫৯. আল হাশর : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৫) তোমরা খেজুর গাছ হতে যেগুলোকে কেটে ফেলেছো অথবা যেগুলোকে তাদের শিকড়ের উপরে দন্ডায়মান রেখে দিয়েছো, সুতরাং তা আল্লাহর ইচ্ছায় হয়েছে। আর যেনো আল্লাহ অবাধ্যদেরকে লাঞ্ছিত করেন। (৫৯. আল হাশর : ৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৬) আল্লাহ তাঁর রসূলকে যে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ দিয়েছেন অথচ তোমরা সেজন্যে কোনো ঘোড়ায় কিংবা উটের উপরে চড়ে যুদ্ধ করোনি, কিন্তু আল্লাহ যার উপরে ইচ্ছা করেন, তাঁর রসূলগণকে প্রাধান্য দান করেন। আর আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (৫৯. আল হাশর : ৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৭) আল্লাহ জনপদ বাসীদের কাছ থেকে তাঁর রসূলকে যে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ দিয়েছেন, সুতরাং তা আল্লাহর, রসূলের, রসূলের নিকট-আত্মীয়দের, পিতৃহীনদের, নিঃস্বদের ও পথচারীদের জন্যে। যেনো সম্পদ কেবল মাত্র তোমাদের ধনীদের মধ্যেই আবর্তিত না হয়। রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তবে তোমরা তা গ্রহণ করো আর যা নিষেধ করেন, তবে তোমরা তা থেকে বিরত থাকো। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয় আল্লাহ প্রতিফল দানে কঠোর। (৫৯. আল হাশর : ৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮) এই যুদ্ধলব্ধ সম্পদ দেশত্যাগী নিঃস্বদের জন্যে, যাদেরকে তাদের ঘর থেকে ও তাদের সম্পদ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে, যারা আল্লাহর কাছ থেকে অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনা করে এবং যারা আল্লাহকে ও তাঁর রসূলকে সাহায্য করে। এরাই হচ্ছে সত্যবাদী। (৫৯. আল হাশর : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) এবং যুদ্ধলব্ধ সম্পদ তাদেরও প্রাপ্য, যারা মুহাজিরদের আগমনের পূর্বে থেকেই মদীনায় বসবাস করেছিলো ও আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছিলো। তারা মুহাজিরদেরকে ভালোবাসে আর মুহাজিরদেরকে যা দেওয়া হয়েছে, সেজন্যে তারা তাদের অন্তরের মধ্যে ঈর্ষা বোধ করে না। তারা নিজেরা অভাব গ্রস্ত হলেও, তাদের নিজেদের উপরে ওদেরকে অগ্রাধিকার দেয়। যে কেউ তার অন্তরের কৃপণতা থেকে মুক্ত, তাহলে এরাই হচ্ছে সাফল্য প্রাপ্ত। (৫৯. আল হাশর : ৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস