(১২) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! যখন তোমরা রসূলের সঙ্গে পরামর্শ করো ও কানকথা বলো, তখন তোমাদের পরামর্শের আগে কিছু সম্পদ দান করবে। এটা তোমাদের জন্যে উত্তম ও পবিত্র হওয়ার ভালো উপায়। কিন্তু তোমরা যদি সম্পদ দান করতে সক্ষম না হও, তবে তোমরা জেনে রেখো যে, নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ১২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৩) তোমরা কি কানকথা বলার পূর্বে সম্পদ দান করতে ভীত হয়ে গেলে? সুতরাং তোমরা যখন সম্পদ দান করতে পারলে না, তাই আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিলেন। সুতরাং তোমরা নামায প্রতিষ্ঠিত করো ও যাকাত আদায় করো আর আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করো। বস্তুত তোমরা যা করো, ঐ সম্পর্কে আল্লাহ অবগত আছেন। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ১৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৪) আপনি কি দ্বিমুখীদের প্রতি লক্ষ্য করেননি, যারা এমন এক জাতির সাথে বন্ধুত্ব করে, যে ইহুদীদের উপরে আল্লাহ রাগান্নিত হয়েছেন? দ্বিমুখীরা তোমাদের মুসলমানদের দলভুক্ত নয় আর ঐ ইহুদীদেরও দলভূক্ত নয়। আর তারা জেনে-শুনে মিথ্যা বিষয়ের উপর শপথ করে। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ১৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৬) দ্বিমুখীরা তাদের শপথ গুলোকে ঢাল হিসেবে গ্রহণ করে, তারপর তারা আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বাধা প্রদান করে। সুতরাং, তাদের জন্যে অপমানকর শাস্তি রয়েছে। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) দ্বিমুখীদের সম্পদ ও সন্তান আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষার ব্যাপারে তাদের জন্যে কখনো কোনো কাজে আসবে না। এরাই হচ্ছে আগুনের অধিবাসী। তারা এ আগুনের মধ্যেই চিরকাল থাকবে। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) যেদিন আল্লাহ তাদের সবাইকে পুনরায় জীবিত করবেন, তখন দ্বিমুখীরা আল্লাহর সামনে শপথ করবে, যেমন তোমাদের সামনে শপথ করে। সেই দিন তারা মনে করবে যে, তাদের চালাকী ধরা পড়বে না। সাবধান, নিশ্চয় এরাই মিথ্যাবাদী। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ১৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯) শয়তান তাদের উপরে নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে, তারপর সে তাদেরকে আল্লাহর স্মরণ ভুলিয়ে দিয়েছে। এরাই হচ্ছে শয়তানের দল। সাবধান, নিশ্চয় শয়তানের দলই ক্ষতিগ্রস্ত। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২১) আল্লাহ গ্রন্থের মধ্যে লিখে দিয়েছেন যে, “আমি আর আমার রসূলগণ অবশ্যই বিজয়ী হবো।” নিশ্চয় আল্লাহ মহা শত্তিশালী, পরাক্রমশালী। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ২১)
- ব্যাখ্যা