(১) আল্লাহ ঐ নারীর কথা শুনেছেন, যে নারী তার স্বামী সম্পর্কে আপনার সাথে তর্ক করেছে ও আল্লাহর কাছে অভিযোগ পেশ করেছে আর আল্লাহ আপনাদের উভয়ের কথাবার্তা শুনেছেন। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছু শুনেন, সব কিছু দেখেন। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২) তোমাদের মধ্যে যারা তাদের স্ত্রীদেরকে মা বলে ফেলে, তারা তাদের মা নয়। তাদের মা অন্য কেউ নয়, কেবল মাত্র তারা ব্যতীত, যারা তাদেরকে জন্ম দিয়েছে। নিশ্চয় তারা অতি মন্দ ও ভিত্তিহীন কথা বলছে। নিশ্চয় আল্লাহ, অতি মার্জনাকারী, অতি ক্ষমাশীল। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ২)
- ব্যাখ্যা
(৩) যারা তাদের স্ত্রীদেরকে মা বলে ফেলে, তারপর যা তারা বলেছে তা প্রত্যাহার করে, সেই ক্ষেত্রে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসকে মুক্তি করে দিবে। এ কুরআন দ্বারা তোমাদেরকে উপদেশ দেওয়া হলো। তোমরা যা করো, ঐ সম্পর্কে আল্লাহ অবগত আছেন। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৪) সুতরাং যার দাস মুক্তি করার সামর্থ্য নেই, তবে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে সে ক্রমাগত দুই মাস রোযা রাখবে। কিন্তু যে ব্যক্তি রোযা রাখার শক্তি রাখে না, তাহলে সে ষাট জন অভাব-গ্রস্তকে খাওয়াবে। এটা এজন্যে যে, যেনো তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস করো। এগুলো হচ্ছে আল্লাহর সীমারেখা। বস্তুত অবিশ্বাসীদের জন্যে বেদনাদায়ক শাস্তি রয়েছে। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৫) নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরোধীতা করে, তারা অপদস্থ হবে, যেমন এদের পূর্ববর্তীদেরকে অপদস্থ করা হয়েছিলো। অবশ্যই আমি সুস্পষ্ট নির্দেশ সমূহ অবতীর্ণ করেছি। বস্তুত অবিশ্বাসীদের জন্যে অপমানজনক শাস্তি রয়েছে। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) যেদিন আল্লাহ তাদের সবাইকে পুনরায় জীবিত করবেন, তখন তিনি তাদেরকে ঐ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন, যা তারা করতো। আল্লাহ তাদের ঐ কাজ সমূহের হিসাব রেখেছেন, কিন্তু তারা তা ভুলে গেছে। বস্তুত আল্লাহর সব কিছুর উপরে সাক্ষী। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ৬)
- ব্যাখ্যা