(১৯) যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস করে, এরাই তারা যারা তাদের প্রভুর কাছে সত্যবাদী ও শহীদ হিসেবে বিবেচিত। তাদের জন্যে উত্তম প্রতিদান ও জ্যোতি রয়েছে। আর যারা আমাকে অবিশ্বাস করে ও আমার নিদর্শন সমূহকে অস্বীকার করে, তাহলে এরাই ভয়ঙ্কর আগুনের অধিবাসী হবে। (৫৭. আল হাদীদ : ১৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২০) তোমরা জেনে রেখো যে, কেবল মাত্র পার্থিব জীবন এমন যে, ক্রীড়া ও কৌতুক, সাজ-সজ্জা, তোমাদের নিজেদের মধ্যে অহঙ্কার, সম্পদ ও সন্তান অর্জনের প্রতিযোগিতা মাত্র আর বৃষ্টির উপমার মতো, যার উৎপাদন সবুজ ফসল কৃষকদেরকে চমৎকৃত করে, তারপর তা শুকিয়ে যায়, ফলে আপনি তাকে হলুদবর্ণ দেখতে পান, তারপর তা খড়কুটা হয়ে যায়। আর পরকালে কঠিন শাস্তি ও আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও সন্তুষ্টি রয়েছে। বস্তুত পার্থিব জীবন প্রতারণার উপকরণ ব্যতীত অন্য কিছুই নয়। (৫৭. আল হাদীদ : ২০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২১) তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও ঐ বেহেশত লাভের জন্যে তোমরা প্রতিযোগিতা করো, যার বিস্তার হচ্ছে আকাশ ও পৃথিবীর প্রশস্ত তুল্য। এটা তাদের জন্যে প্রস্তুত করা হয়েছে, যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলগণের প্রতি বিশ্বাস করে। এ হচ্ছে আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা, তা দান করেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন মহা অনুগ্রহের অধিকারী। (৫৭. আল হাদীদ : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) পৃথিবীর মধ্যে ও তোমাদের নিজেদের উপরে এমন কোনো বিপদ পতিত হয় না, তবে এ ব্যতীত যে, আমি তা ঘটানোর আগেই তা গ্রন্থের মধ্যে লিপিবদ্ধ করে রেখেছি। নিশ্চয় এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ। (৫৭. আল হাদীদ : ২২)
- ব্যাখ্যা
(২৩) এটা এজন্যে বলা হচ্ছে, যেনো তোমরা এর উপরে দুঃখ না করো, যা তোমরা হারিয়ে ফেলো আর তিনি তোমাদেরকে যে সম্পদ দিয়েছেন, ঐ জন্যে তোমরা উল্লাস না করো। আর আল্লাহ এমন প্রত্যেক দাম্ভিক অহঙ্কারীকে ভালোবাসেন না, (৫৭. আল হাদীদ : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৪) যারা কৃপণতা করে ও মানুষকে কৃপণতার প্রতি নির্দেশ দেয়। যে কেউ মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে নিশ্চয় তার জানা উচিত যে, আল্লাহ অভাব মুক্ত, প্রশংসিত। (৫৭. আল হাদীদ : ২৪)
- ব্যাখ্যা