(৩০) যেদিন সকল কাজ সমূহ মানুষের সামনে উপস্থিত করা হবে, সেই দিন প্রত্যেক ব্যক্তি ঐ কাজ সম্পর্কে জানতে পারবে, ভালো ও মন্দ কাজ থেকে যা কিছু সে করেছে। সে চাইবে, যদি এমন হতো যে, তার মধ্যে এবং তার মন্দ কাজের মধ্যে সুদীর্ঘ ব্যবধান থাকতো! আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর নিজের সম্পর্কে সাবধান করছেন। বস্তুত আল্লাহ তাঁর স্বীয় বান্দাদের প্রতি অতি দয়ালু। (৩. আল ইমরান : ৩০)
- ব্যাখ্যা
(৩২) আপনি বলুন, “তোমরা আল্লাহ ও রসূলকে অনুসরণ করো।” কিন্তু যদি তারা ফিরে যায়, তবে নিশ্চয় আল্লাহ অবিশ্বাসীদেরকে ভালোবাসেন না। (৩. আল ইমরান : ৩২)
- ব্যাখ্যা
(৩৫) যখন ইমরানের স্ত্রী বললো, “হে আমার প্রভু! নিশ্চয় আমি আমার গর্ভের মধ্যে যা আছে তাকে তোমার জন্যে একান্তভাবে উৎসর্গ করলাম। সুতরাং তুমি আমার থেকে তাকে গ্রহণ করো। নিশ্চয় তুমিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।” (৩. আল ইমরান : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) তারপর যখন ইমরানের স্ত্রী মারইয়ামকে প্রসব করলো, সে বললো, “হে আমার প্রভু! নিশ্চয় আমি তাকে প্রসব করলাম সে তো দেখি একটি কন্যা!” আর আল্লাহ তা ভালো জানেন, যা সে প্রসব করেছে। ইমরানের স্ত্রী বললো, “ছেলে তো কখনোই মেয়ের মতো নয়। নিশ্চয় আমি তার নাম রাখলাম মারইয়াম। আমি তাকে ও তার সন্তান সমূহকে বিতাড়িত শয়তানের ধোকা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যে তোমার কাছে আশ্রয়ে রাখছি।” (৩. আল ইমরান : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৭) সুতরাং তার প্রভু মারইয়ামকে সুন্দর স্বীকৃতির সাথে গ্রহণ করলেন। আর তাকে সুন্দর বর্ধনে বর্ধিত করলেন। আর তাকে যাকারিয়ার তত্বাবধানে সমর্পণ করলেন। যখনই যাকারিয়া তার নিকট উপাসনালয়ে প্রবেশ করতেন, তিনি মারইয়ামের কাছে জীবিকা হিসেবে প্রচুর ফল সমূহ ও খাদ্য সামগ্রী দেখতে পেতেন। যাকারিয়া তাকে বললেন, “হে মারইয়াম! এ খাদ্য সামগ্রী তোমার কাছে কোথা থেকে আসে?” মারইয়াম বললো, “এ খাদ্য সামগ্রী আল্লাহর নিকট থেকে আসে। নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বেহিসাব জীবিকা দান করেন।” (৩. আল ইমরান : ৩৭)
- ব্যাখ্যা