(৪) তিনিই আল্লাহ, যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, তারপর সিংহাসনের উপরে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি জানেন যা কিছু ভূমির ভিতরে প্রবেশ করে ও যা এ ভূমি থেকে বেরিয়ে আসে ও যা আকাশ থেকে নেমে আসে ও যা এ আকাশের মধ্যে উঠে যায়। তোমরা যেখানেই থাকো, তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন। তোমরা যা করো, আল্লাহ তা দেখেন। (৫৭. আল হাদীদ : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৭) তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করো আর তিনি তোমাদেরকে যে সম্পদের উত্তরাধিকারী বানিয়েছেন, ঐ সম্পদ থেকে তোমরা ব্যয় করো। অতএব, তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও ব্যয় করে, তাদের জন্যে মহা পুরস্কার আছে। (৫৭. আল হাদীদ : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) তোমাদের কী হলো যে, তোমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করছো না, অথচ রসূল তোমাদেরকে আহবান করছেন, যেনো তোমরা তোমাদের প্রভুর প্রতি বিশ্বাস করো? অথচ আল্লাহ ইতিপূর্বেই তোমাদের থেকে অঙ্গীকার নিয়েছেন, যদি তোমরা বিশ্বাসী হও। (৫৭. আল হাদীদ : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) তিনিই আল্লাহ, যিনি তাঁর বান্দার প্রতি সুস্পষ্ট বাণী অবতীর্ণ করেছেন, যেনো তিনি তোমাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনতে পারেন। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি করুণাময়, অতি দয়ালু। (৫৭. আল হাদীদ : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) তোমাদের কী হয়েছে যে, তোমরা আল্লাহর পথে ব্যয় করো না, অথচ আল্লাহর জন্যেই নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের উত্তরাধিকার? তোমাদের মধ্যে যারা মক্কা বিজয়ের পূর্বে ব্যয় করেছে ও সংগ্রাম করেছে, এরা মর্যাদায় তাদের অপেক্ষা উচ্চতর, যারা মক্কা বিজয়ের পরে ব্যয় করেছে ও সংগ্রাম করেছে, এই দুই দল আল্লাহর নিকট এক সমান নয়। তবে আল্লাহ তাদের প্রত্যেককেই কল্যাণের অঙ্গীকার দিয়েছেন। তোমরা যা করো, আল্লাহ ঐ সম্পর্কে পূর্ণ অবগত। (৫৭. আল হাদীদ : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) কে সেই ব্যক্তি, যে আল্লাহকে উত্তম ঋণ দিবে? তাহলে তিনি তার জন্যে তা বহুগুণে বৃদ্ধি করবেন আর তার জন্যে সম্মানজনক পুরস্কার রয়েছে। (৫৭. আল হাদীদ : ১১)
- ব্যাখ্যা