(২৮) আর হে সালেহ! তুমি তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে পানি পানের পালা নির্ধারিত হয়েছে। প্রত্যেককে পানি পান করার জন্যে পালাক্রমে উপস্থিত হতে হবে।” (৫৪. আল ক্বামার : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(৩১) আমি তাদের উপরে একটি মাত্র মহা গর্জন প্রেরণ করেছিলাম। ফলে তারা খোয়াড় প্রস্তুতকারীর হাতে নির্মিত শুষ্ক চূর্ণ-বিচূর্ণ ডাল-পালার ন্যায় হয়ে গেলো। (৫৪. আল ক্বামার : ৩১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৪) আমি লূতের জাতির উপরে এক পাথর বর্ষণকারী ঝড় প্রেরণ করেছিলাম, তবে লূতের পরিবার ব্যতীত। আমি তাদেরকে রাতের শেষ প্রহরে উদ্ধার করেছিলাম, (৫৪. আল ক্বামার : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) তারা লূতের কাছে তাঁর অতিথিদেরকে দাবী করেছিলো। তখন আমি তাদের চোখ অন্ধ করে দিলাম। আমি বলেছিলাম, “সুতরাং তোমরা আমার সতর্কবাণী অস্বীকার করার কারণে আমার শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করো।” (৫৪. আল ক্বামার : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৪২) ফিরআউনের জাতি আমার সকল নিদর্শন সমূহের প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছিলো। তারপর আমি পরাক্রমশালী, মহা শক্তিশালীর ন্যায় তাদেরকে পাকড়াও করলাম। (৫৪. আল ক্বামার : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৩) হে আরবের অবিশ্বাসীরা! তোমাদের মধ্যকার অবিশ্বাসীরা কি তাদের চাইতে শ্রেষ্ঠ? না কি ধর্ম গ্রন্থের মধ্যে তোমাদের জন্যে কোনো লিখিত অব্যাহতি রয়েছে? (৫৪. আল ক্বামার : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) সেই দিন তাদেরকে তাদের মুখের উপরে ভর দেওয়া অবস্থায় আগুনের মধ্যে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে, আর বলা হবে, “তোমরা জ্বালাময় আগুনের স্বাদ গ্রহণ করো।” (৫৪. আল ক্বামার : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস