(২৩) আপনি কি তাদের দিকে চেয়ে দেখেননি, যাদেরকে গ্রন্থের কিছু অংশ দেওয়া হয়েছে? তাদেরকে আল্লাহর গ্রন্থের দিকে আহবান করা হচ্ছে, যেনো কুরআন তাদের মধ্যে মীমাংসা করতে পারে। তারপরেও তাদের মধ্যে থেকে একটি দল বিমুখ হয়ে ফিরে যায়। (৩. আল ইমরান : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৪) এটা এ কারণে যে, তারা বলে, “আগুন আমাদেরকে কখনোই স্পর্শ করবে না, তবে হাতে গোনা কয়েক দিন ব্যতীত।” আর তারা যে ভিত্তিহীন কথা উদ্ভাবন করে, এইসব ভিত্তিহীন কথা তাদের ধর্মের ব্যাপারে তাদেরকে ধোকায় ফেলে রেখেছে। (৩. আল ইমরান : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৫) সুতরাং তখন তাদের অবস্থা কেমন হবে, যখন আমি তাদেরকে এমন এক দিনে একত্রিত করবো, যার মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই। আর প্রত্যেক ব্যক্তিকে ঐ কাজের প্রতিদান পরিপূর্ণ ভাবে প্রদান করা হবে, যা সে অর্জন করেছে ও তাদের প্রতি অন্যায় করা হবে না। (৩. আল ইমরান : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৬) আপনি বলুন, “হে আল্লাহ! সমগ্র রাজত্বের মালিক! তুমি যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দান করো, যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজত্ব ছিনিয়ে নাও, যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করো আবার যাকে ইচ্ছা অপমানিত করো, তোমার হাতেই সকল কল্যাণ রয়েছে। নিশ্চয় তুমি সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (৩. আল ইমরান : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৭) তুমি রাতকে দিনের মধ্যে প্রবেশ করাও, দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করাও, জীবিতকে বের করে আনো মৃত থেকে, মৃতকে বের করে আনো জীবিত থেকে আর যাকে ইচ্ছা বেহিসাব জীবিকা দান করো।” (৩. আল ইমরান : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) বিশ্বাসীরা যেনো বিশ্বাসীদেরকে বাদ দিয়ে অবিশ্বাসীদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যে ব্যক্তি এমন করবে, সুতরাং আল্লাহর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক থাকবে না। তবে তোমরা যদি তাদের থেকে সতর্কতা স্বরূপ সাবধান হতে চাও তবে বন্ধুত্ব সুলভ আচরন করতে পারো। আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর নিজের সম্পর্কে সাবধান করছেন। বস্তুত আল্লাহর দিকেই তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে। (৩. আল ইমরান : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(২৯) আপনি বলুন, “তোমাদের অন্তর সমূহের মধ্যে যা কিছু আছে, তোমরা যদি তা লুকিয়ে রাখো, অথবা তা প্রকাশ করো, আল্লাহ তা জানেন। আর নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সব কিছুই তিনি জানেন। বস্তুত আল্লাহ সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।” (৩. আল ইমরান : ২৯)
- ব্যাখ্যা