(১৬) বিশ্বাসীরা হচ্ছে তারা, যারা বলে যে, “হে আমাদের প্রভু! নিশ্চয় আমরা আপনার প্রতি বিশ্বাস করেছি। সুতরাং আপনি আমাদের অপরাধ সমূহ ক্ষমা করুন ও আগুনের শাস্তি থেকে আমাদেরকে রক্ষা করুন।” (৩. আল ইমরান : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৮) আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। আর জ্ঞানের অধিকারীরা ও ফেরেশতাগণ ন্যায়ের উপরে অধিষ্ঠিত হয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (৩. আল ইমরান : ১৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯) নিশ্চয় আল্লাহর কাছে একমাত্র গ্রহণ যোগ্য ধর্ম হচ্ছে ইসলাম। যাদেরকে গ্রন্থ দেওয়া হয়েছিলো, তাদের কাছে জ্ঞানের বিষয় আসার পরেও বিদ্বেষ বশত তারা তাদের নিজেদের মধ্যে মতভেদ করেছে। যে কেউ আল্লাহর বাণীর প্রতি অবিশ্বাস করে, সুতরাং তার জেনে রাখা উচিত যে, নিশ্চয় আল্লাহ হিসাব গ্রহণে দ্রুত। (৩. আল ইমরান : ১৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২০) সুতরাং তারা যদি আপনার সাথে তর্ক করে, তবে আপনি তাদেরকে বলুন, “আমি নিজেকে ও যারা আমার অনুসরণ করে তারা সবাই আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ করেছি।” আর যাদেরকে গ্রন্থ দেওয়া হয়েছে, তাদেরকে ও নিরক্ষরদেরকে আপনি বলুন, “তোমরা কি আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ করেছো?” সুতরাং যদি তারা আত্মসমর্পণ করে, তবে অবশ্যই তারা সরল পথ প্রাপ্ত হবে। আর যদি তারা মুখ ঘুরিয়ে নেয়, তবে আপনার উপরে কেবল মাত্র দায়িত্ব হচ্ছে আল্লাহর বাণীকে পৌঁছে দেওয়া। বস্তুত আল্লাহ স্বীয় বান্দাদেরকে ভালো ভাবে দেখছেন। (৩. আল ইমরান : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২১) যারা আল্লাহর বাণী সমূহের প্রতি অবিশ্বাস করে, নবীদেরকে অন্যায় ভাবে হত্যা করে আর মানুষের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দানকারীদেরকে হত্যা করে, সুতরাং তাদেরকে আপনি বেদনাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন। (৩. আল ইমরান : ২১)
- ব্যাখ্যা