(৩) আমরা যখন মরে যাবো ও মাটি হয়ে যাবো, তখনো কি আমরা পুনরায় জীবিত হবো? আসলে এ প্রত্যাবর্তন বহু দূরের বিষয়, যা কখোই সত্য হবে না।” (৫০. ক্বাফ : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৫) বরং, যখন তাদের কাছে কুরআন এসেছে, তখন তারা সত্যকে মিথ্যা বলছে। ফলে তারা পুনরায় জীবিত হওয়ার বিষয়ে সংশয়ের মধ্যে রয়েছে। (৫০. ক্বাফ : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) তবে কি তারা তাদের উপরে অবস্থিত আকাশের দিকে দেখে না, আমি কিভাবে তা নির্মাণ করেছি ও আকাশকে সুশোভিত করেছি আর তাতে কোনো ফাটল নেই? (৫০. ক্বাফ : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) আর আমি পৃথিবীকে প্রসারিত করেছি ও পৃথিবীর মধ্যে পাহাড় সমূহ স্থাপন করেছি আর আমি পৃথিবীর মধ্যে প্রত্যেক প্রকারের সুদৃশ্য উদ্ভিদ জোড়ায়-জোড়ায় উৎপন্ন করেছি। (৫০. ক্বাফ : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৯) আমি আকাশ থেকে কল্যাণময় বৃষ্টি বর্ষণ করি। তারপর আমি এ বৃষ্টি দ্বারা বাগান সমূহ ও কৃষিজাত শস্য উৎপন্ন করি, যেগুলোর ফসল সংগ্রহ করা হয়। (৫০. ক্বাফ : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১১) বান্দাদের জন্যে জীবিকা স্বরূপ এবং এমনি ভাবে আমি সেই বৃষ্টি দ্বারা মৃত ভূমিকে জীবিত করি। এই ভাবেই তোমরা পুনরায় জীবিত হয়ে কবর থেকে বের হবে। (৫০. ক্বাফ : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১৪) আর বনের অধিবাসীরা ও তোব্বা জাতি। এদের প্রত্যেকেই রসূলগণকে মিথ্যাবাদী বলেছিলো। সুতরাং আমার সতর্ক বাণীর কারণে তাদের উপরে আমার শাস্তি বাস্তবায়িত হয়েছিলো। (৫০. ক্বাফ : ১৪)
- ব্যাখ্যা