(১২) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে সন্দেহ করা থেকে বেঁচে থাকো। নিশ্চয় কিছু সংখ্যক সন্দেহ করা হচ্ছে অপরাধ। তোমরা গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান করো না। তোমরা তোমাদের একে অন্যের আড়ালে নিন্দা করো না। তোমাদের কেউ কি এমন কাজ পছন্দ করবে যে, সে তার মৃত ভাইয়ের গোস্ত খাবে? বস্তুত তোমরা এমন কাজকে ঘৃণাই করো। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমা প্রার্থনা গ্রহণকারী, অতি দয়ালু। (৪৯. আল হুজুরাত : ১২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৩) ওহে মানব জাতি, নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি। আমি তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যেনো তোমরা পরস্পরে পরিচিত হও। নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তি সর্বাধিক সম্মানিত, যে ব্যক্তি সর্বাধিক পরহেযগার। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, পূর্ণ অবগত। (৪৯. আল হুজুরাত : ১৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৪) মরুবাসীরা আপনাকে বলে, “আমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছি।” আপনি বলুন, “তোমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করোনি; বরং তোমরা বলো, ‘আমরা আত্মসমর্পণ করেছি।’ কেননা এখনো তোমাদের অন্তরের মধ্যে বিশ্বাস প্রবেশ করেনি।” যদি তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করো, তবে তিনি তোমাদের কর্ম সমূহ থেকে কোনো কিছুই কমাবেন না। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৪৯. আল হুজুরাত : ১৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৫) নিশ্চয় কেবল মাত্র তারাই বিশ্বাসী, যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস করে, তারপর তারা আল্লাহর বিধানের মধ্যে কোনো রূপ সন্দেহ করে না আর তারা আল্লাহর পথে তাদের প্রাণ ও সম্পদ দিয়ে সংগ্রাম করে। এরাই হচ্ছে সত্যবাদী। (৪৯. আল হুজুরাত : ১৫)
- ব্যাখ্যা
(১৬) আপনি বলুন, “তোমরা কি তোমাদের ধর্ম বিশ্বাস সম্পর্কে আল্লাহকে জানাতে চাও? অথচ আল্লাহ জানেন যা কিছু নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের মধ্যে আছে। আল্লাহ হচ্ছেন সব বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।” (৪৯. আল হুজুরাত : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) তারা ইসলাম গ্রহণ করেছে, এজন্যে তারা মনে করে যে, তারা আপনার উপরে অনুগ্রহ করেছে। আপনি বলুন, “তোমরা ইসলাম গ্রহণ করেছো, এজন্যে আমার উপরে অনুগ্রহ করেছো মনে করো না। বরং আল্লাহই তোমাদের উপরে অনুগ্রহ করেছেন যে, তোমাদেরকে বিশ্বাসের পথে পরিচালিত করেছেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো তবে বিষয়টি বুঝতে পারবে।” (৪৯. আল হুজুরাত : ১৭)
- ব্যাখ্যা