(৫) যদি তাদের কাছে আপনার বের হয়ে আসা পর্যন্ত তারা ধৈর্য্যধারণ করতো, তাহলে তাই তাদের জন্যে মঙ্গলজনক হতো। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৪৯. আল হুজুরাত : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! যদি কোনো সত্যত্যাগী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তোমরা সেই সংবাদ পরীক্ষা করে দেখবে, যেনো এমন না হয় যে, তোমরা অজ্ঞতা বশত কোনো জাতির ক্ষতিসাধন করো, ফলে তোমাদের কৃতকর্মের কারণে তোমাদেরকে অনুতপ্ত হতে হয়। (৪৯. আল হুজুরাত : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) তোমরা জেনে রেখো যে, তোমাদের মধ্যে আল্লাহর রসূল রয়েছেন। তিনি যদি অনেক বিষয়ে তোমাদের আবদার মেনে নেন, তবে অবশ্যই তোমরা কষ্ট পাবে। কিন্তু আল্লাহ তোমাদের কাছে ধর্ম বিশ্বাসকে প্রিয় করে দিয়েছেন এবং এ ধর্ম বিশ্বাসকে তোমাদের হৃদয়ের মধ্যে সুশোভিত করে দিয়েছেন। আর তোমাদের কাছে অবিশ্বাস, সত্যত্যাগ ও অবাধ্যতাকে অপ্রিয় করে দিয়েছেন। বস্তুত এরাই হচ্ছে সৎপথ অবলম্বনকারী। (৪৯. আল হুজুরাত : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৯) যদি বিশ্বাসীদের মধ্যে দুই দল পরস্পর যুদ্ধ করে, তাহলে তোমরা তাদের উভয়ের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে। তারপর যদি তাদের এক দল অপর দলের উপর চড়াও হয়, তবে তোমরা সেই দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যে দল বিবাদ করে; যে পর্যন্ত না, তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। তারপর যদি তারা ফিরে আসে, তবে তোমরা তাদের উভয়ের মধ্যে ন্যায় ভাবে মীমাংসা করে দিবে। আর তোমরা ন্যায় বিচার করবে। নিশ্চয় আল্লাহ ন্যায় বিচার-কারীদেরকে ভালোবাসেন। (৪৯. আল হুজুরাত : ৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা এক দল অন্য দলকে উপহাস করবে না। কেননা হতে পারে যে, যাদেরকে উপহাস করা হচ্ছে, তারা এই উপহাসকারীদের অপেক্ষা উত্তম। আর কোনো নারী অন্য নারীকেও যেনো উপহাস না করে। কেননা হতে পারে যে, যাদেরকে উপহাস করা হচ্ছে, তারা এই উপহাসকারীণীদের অপেক্ষা উত্তম। তোমরা তোমাদের নিজেদের মধ্যে একে অপরের নিন্দা করো না। তোমরা একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। কেউ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করার পর তাদেরকে এমন মন্দ নামে ডাকা অবাধ্যতা। যারা এমন কাজ করার পরে ক্ষমা প্রার্থনা করে না, তবে এরাই হচ্ছে অন্যায়কারী। (৪৯. আল হুজুরাত : ১১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস