(২৪) তিনিই আল্লাহ, যিনি মক্কার উপত্যকায় হুদায়বিয়ার প্রান্তরে তাদের উপরে তোমাদেরকে বিজয়ী করার পরে, তাদের হাত সমূহ তোমাদের থেকে বিরত রেখেছেন এবং তোমাদের হাত সমূহ তাদের থেকে বিরত রেখেছেন। বস্তুত তোমরা যা কিছু করছিলে আল্লাহ তা দেখছিলেন। (৪৮. আল ফাতহ : ২৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৫) এরাই তারা, যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করেছিলো এবং তোমাদেরকে হুদায়বিয়ার প্রান্তরে পবিত্র মসজিদে প্রবেশ করা থেকে বাধা দিয়েছে এবং অবস্থানরত কুরবানীর জন্তুদেরকে তাদের কুরবানীর জায়গায় পৌঁছাতে বাধা দিয়েছে। যদি মক্কায় কিছু সংখ্যক বিশ্বাসী পুরুষ ও বিশ্বাসী নারী না থাকতো, যাদেরকে তোমরা জানতে না আর তোমরা তাদেরকে পিষ্ট করতে, ফলে তাদের কারণে তোমরা অজ্ঞাতসারে ক্ষতিগ্রস্ত হতে, তবে আমি ওই অবিশ্বাসীদের সাথে সন্ধির পরিবর্তে তোমাদেরকে যুদ্ধে লিপ্ত করতাম। কিন্তু আমি যুদ্ধ রোধ করেছি এজন্য যে, আল্লাহ যেনো তাঁর স্বীয় অনুগ্রহের মধ্যে যাকে ইচ্ছা প্রবেশ করাতে পারেন। যদি ঐ বিশ্বাসী পুরুষ ও বিশ্বাসী নারী মক্কা থেকে সরে যেতো, তাহলে তাদের মধ্যে যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে বেদনাদায়ক শাস্তি দিতাম। (৪৮. আল ফাতহ : ২৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৬) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তারা হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় যখন তাদের অন্তরের মধ্যে মূর্খতা যুগের মতো জিদ করেছিলো, তখন আল্লাহ তাঁর রসূল ও বিশ্বাসীদের উপরে তাঁর স্বীয় প্রশান্তি অবতীর্ণ করেছিলেন এবং তাদের জন্যে সংযমের দায়িত্ব অপরিহার্য করে দিয়েছিলেন আর তারাই ছিলো এর অধিকতর যোগ্য ও উপযুক্ত। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সব বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত। (৪৮. আল ফাতহ : ২৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৭) অবশ্যই আল্লাহ তাঁর রসূলের স্বপ্নকে সঠিক ভাবে বাস্তবায়িত করে দেখিয়েছেন। আল্লাহ যদি ইচ্ছা করেন, তাহলে তোমরা অবশ্যই পবিত্র মসজিদে নিরাপদে প্রবেশ করবে, তোমাদের মাথা মুন্ডিত অবস্থায় ও চুল কর্তিত অবস্থায়। তখন তোমরা কাউকে ভয় করবে না। সুতরাং আল্লাহ তা জানেন, যা তোমরা জানো না। তারপর এছাড়াও তিনি তোমাদেরকে খয়বার জয়ের একটি আসন্ন বিজয় দিয়েছেন। (৪৮. আল ফাতহ : ২৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৮) তিনিই আল্লাহ, যিনি তাঁর রসূলকে পথ-নির্দেশ ও সত্য ধর্ম সহকারে প্রেরণ করেছেন, যেনো আল্লাহ এ সত্য ধর্মকে অন্য সকল ধর্মের উপর জয়যুক্ত করেন। বস্তুত সাক্ষীরূপে আল্লাহই যথেষ্ট। (৪৮. আল ফাতহ : ২৮)
- ব্যাখ্যা