(২০) আর যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে, তারা বলে, “একটি নতুন সূরা অবতীর্ণ হয় না কেনো?” তারপর যখন কোনো সিদ্ধান্ত মূলক সূরা অবতীর্ণ হয় ও তার মধ্যে যুদ্ধের উল্লেখ করা হয়, তখন যাদের হৃদয়ের মধ্যে রোগ আছে, আপনি ঐ দ্বিমুখীদেরকে দেখবেন যে, তারা আপনার দিকে এমন মানুষের দৃষ্টির ন্যায় তাকিয়ে রয়েছে, যার উপরে মৃত্যুর ভয় ছেয়ে গেছে। সুতরাং তাদের জন্যে আফসোস। (৪৭. মোহাম্মদ : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২১) দ্বিমুখীদের আনুগত্য ও মিষ্টি কথা জানা আছে। সুতরাং যখন যুদ্ধের ব্যাপারে সিন্ধান্ত নেওয়া হয়ে যায়, তখন যদি তারা আল্লাহর প্রতি সত্যনিষ্ঠ থাকে, তাহলে সেটিই তাদের জন্যে মঙ্গলজনক হবে। (৪৭. মোহাম্মদ : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) তবে কি তোমাদের থেকে এমন আশা করা যায় যে, যদি তোমাদেরকে শাসনভার দেওয়া হয়, তাহলে তোমরা পৃথিবীর মধ্যে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং তোমরা তোমাদের রক্তের আত্মীয়তা ছিন্ন করবে? (৪৭. মোহাম্মদ : ২২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৩) বস্তুত এরাই তারা, যাদের প্রতি আল্লাহ অভিশাপ করেছেন, তারপর তিনি তাদেরকে বধির বানিয়েছেন এবং তাদের দৃষ্টি শক্তি অন্ধ করে দিয়েছেন। (৪৭. মোহাম্মদ : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৫) নিশ্চয় যারা তাদের কাছে সৎপথ সুস্পষ্ট করার পরেও তাদের পিঠ ফিরিয়ে ঘুরে যায়, শয়তান তাদের জন্যে তাদের কাজকে সুন্দর করে দেখায় এবং তাদেরকে মিথ্যা আশা দেয়। (৪৭. মোহাম্মদ : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৬) এটা এজন্যে যে, আল্লাহ যে কুরআন অবতীর্ণ করেছেন ঐ কুরআনকে অপছন্দ-কারীদেরকে দ্বিমুখীরা বলে যে, “শীঘ্রই আমরা কিছু বিষয়ের ক্ষেত্রে তোমাদেরকে মেনে চলবো।” বস্তুত আল্লাহ তাদের গোপন পরামর্শ ভালো ভাবেই জানেন। (৪৭. মোহাম্মদ : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৮) এটা এজন্যে যে, তারা ঐ বিষয়ের অনুসরণ করে, যা আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে। আর তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভকে অপছন্দ করে। তাই তিনি তাদের কাজ সমূহকে ব্যর্থ করে দিয়েছেন। (৪৭. মোহাম্মদ : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(২৯) যাদের অন্তরের মধ্যে দ্বিমুখীতার রোগ আছে, তারা কি মনে করে যে, আল্লাহ কখনোই তাদের অন্তরের বিদ্বেষ প্রকাশ করে দিবেন না? (৪৭. মোহাম্মদ : ২৯)
- ব্যাখ্যা