(৬) যখন মানুষকে হাশরের মাঠে একত্রিত করা হবে, তখন ঐ উপাস্যরা এদের শত্রু হবে আর তখন উপাস্যরা এদের উপাসনাকে অস্বীকার করবে। (৪৬. আল আহক্বাফ : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) যখন অবিশ্বাসীদের কাছে আমার সুস্পষ্ট বাণী সমূহ পাঠ করে শুনানো হয়, তখন তাদের কাছে সত্য আসার পরেও তারা বলে, “এ কুরআন তো স্পষ্ট জাদু।” (৪৬. আল আহক্বাফ : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) তারা কি বলে যে, “মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ কুরআনকে রচনা করেছেন?” আপনি বলুন, “যদি আমি এ কুরআনকে রচনা করে থাকি, তবে আল্লাহর শাস্তি থেকে আমাকে রক্ষা করার ব্যাপারে তোমাদের কোনো ক্ষমতা নেই। তোমরা যে বিষয়ে আলোচনা করো, ঐ বিষয়ে আল্লাহ ভালো জানেন। আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।” (৪৬. আল আহক্বাফ : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) আপনি বলুন, “আমি তো রসূলদের মধ্যে থেকে কোনো নতুন রসূল নই। আমি জানি না, আমার ও তোমাদের সঙ্গে কি ব্যবহার করা হবে। আমার প্রতি যা ওহী করা হয়, তা ব্যতীত আমি অন্য কোনো কিছুর অনুসরণ করি না। আমি তোমাদের জন্য একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।” (৪৬. আল আহক্বাফ : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) আপনি বলুন, “তোমরা ভেবে দেখেছো কি, যদি এ কুরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে হয় ও তোমরা এ কুরআনের প্রতি অবিশ্বাস করো অথচ ইসরাঈলের বংশধরদের মধ্যে একজন সাক্ষী এর অনুরূপ গ্রন্থের উপর সাক্ষ্য দেয়, তারপর সে এ কুরআনের উপর বিশ্বাস করে; অথচ তোমরা অহঙ্কার করো, তবে তোমাদের চেয়ে বড় অন্যায়কারী আর কে হবে? নিশ্চয় আল্লাহ অন্যায়কারী জাতিকে পথ দেখান না। (৪৬. আল আহক্বাফ : ১০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১) অবিশ্বাসীরা বিশ্বাসীদের সম্পর্কে বলে, “যদি এ ধর্ম ভালো হতো, তবে সাধারন লোকেরা আমাদেরকে পিছনে ফেলে এ ধর্মের প্রতি এগিয়ে যেতে পারতো না।” যেহেতু তারা এ কুরআনের মাধ্যমে সুপথ পায়নি, তাই শীঘ্রই তারা বলবে, “এই কুরআন হচ্ছে এক পুরাতন মিথ্যা কাহিনী।” (৪৬. আল আহক্বাফ : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) এর আগে মূসার গ্রন্থ তাওরাত ছিলো পথ প্রদর্শক ও দয়া স্বরূপ। আর এই কুরআন আরবী ভাষায় ঐ তাওরাতের সমর্থক, যেনো কুরআন জালিমদেরকে সতর্ক করতে পারে। আর যেনো কুরআন সৎকর্মীদেরকে সুসংবাদ দান করতে পারে। (৪৬. আল আহক্বাফ : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) নিশ্চয় যারা বলে, “আমাদের প্রভু হচ্ছেন আল্লাহ”, তারপর এই বিশ্বাসের উপর অবিচল থাকে, সুতরাং তাদের উপরে কোনো ভয় নেই আর তারা চিন্তিত হবে না। (৪৬. আল আহক্বাফ : ১৩)
- ব্যাখ্যা