(৩৩) আর ঐ মন্দ কাজগুলো তাদের সামনে প্রকাশ হয়ে পড়বে, যা তারা করেছিলো। আর যে শাস্তি নিয়ে তারা বিদ্রুপ করতো, ঐ শাস্তি তাদেরকে ঘিরে ফেলবে। (৪৫. আল জাছিয়া : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
(৩৪) তাদেরকে বলা হবে, “আজ আমি তোমাদেরকে ভুলে যাবো, যেমন তোমরা এই দিনটির সাক্ষাতকে ভুলে গিয়েছিলে। আগুন হচ্ছে তোমাদের ঠিকানা আর তোমাদের জন্যে কোনো সাহায্যকারী নেই। (৪৫. আল জাছিয়া : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
(৩৫) এটা এজন্যে যে, তোমরা আল্লাহর বাণী সমূহকে ঠাট্টা রূপে গ্রহণ করেছিলে এবং পার্থিব জীবন তোমাদেরকে প্রতারিত করেছিলো।” সুতরাং আজ তাদেরকে দোযখ থেকে বের করা হবে না আর তাদেরকে ক্ষমা প্রার্থনা করতেও বলা হবে না। (৪৫. আল জাছিয়া : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
(৩) নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এই দুইয়ের মধ্যে যা কিছু আছে, সব কিছুকে সত্য উদ্দেশ্য এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে আমি সৃষ্টি করেছি। যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তারা ঐ বিষয় থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, যে বিষয়ে তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে। (৪৬. আল আহক্বাফ : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৪) আপনি বলুন, “তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে পূজা করো, তাদের বিষয়ে তোমরা ভেবে দেখেছো কি? তোমরা আমাকে তা দেখাও, তারা পৃথিবীর মধ্যে কী সৃষ্টি করেছে? অথবা নভোমন্ডল সৃষ্টিতে তাদের কি কোনো অংশ আছে? যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে তোমরা কুরআনের পূর্ববর্তী কোনো গ্রন্থ অথবা পর্যায়ক্রমে আগত কোনো জ্ঞান আমার কাছে নিয়ে এসো।” (৪৬. আল আহক্বাফ : ৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫) তার চেয়ে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে, যে ব্যক্তি আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন উপাস্যদেরকে পূজা করে, যারা কিয়ামতের দিন পর্যন্ত তার ডাকে সাড়া দিবে না? আর ঐ উপাস্যরা এদের পুজা সম্পর্কেও উদাসীন। (৪৬. আল আহক্বাফ : ৫)
- ব্যাখ্যা