(২৩) আপনি কি তার প্রতি লক্ষ্য করেছেন, যে তার প্রবৃত্তিকে তার স্বীয় উপাস্য রূপে গ্রহণ করেছে? আল্লাহ জেনে শুনে তাকে পথভ্রষ্ট করেছেন এবং তিনি তার কান ও অন্তরের উপরে মহর মেরে দিয়েছেন এবং তিনি তার চোখের উপরে পর্দা রেখেছেন। সুতরাং আল্লাহর পরে কে তাকে পথ দেখাবে? তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না? (৪৫. আল জাছিয়া : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৪) তারা বলে, “আমাদের এই পার্থিব জীবন ব্যতীত আর কোনো জীবন নেই; আমরা এখানেই মরি ও বাঁচি। আমাদেরকে সময় ব্যতীত অন্য কিছুই ধ্বংস করে না।” তাদের কাছে এ ব্যাপারে কোনো জ্ঞান নেই। বস্তুত তারা অনুমান ব্যতীত কোনো কথাই বলে না। (৪৫. আল জাছিয়া : ২৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৫) তাদের কাছে যখন আমার সুস্পষ্ট বাণী পাঠ করা হয়, তখন একথা বলা ব্যতীত তাদের জন্যে কোনো যুক্তি থাকে না যে, তারা বলে, “তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তাহলে আমাদের পূর্ব-পুরুষদেরকে নিয়ে এসো।” (৪৫. আল জাছিয়া : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৬) আপনি বলুন, “আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করেন, তারপর মৃত্যু ঘটান, তারপর তিনি তোমাদেরকে কিয়ামতের দিনে একত্রিত করবেন, এর মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ বিষয়টি জানে না।” (৪৫. আল জাছিয়া : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৮) আপনি প্রত্যেক জাতিকে নতজানু অবস্থায় দেখতে পাবেন। প্রত্যেক জাতিকে তাদের আমলনামা দেখতে ডাকা হবে। আজকের দিনে তোমারদের কৃতকর্মের কারণে তোমারদেরকে প্রতিফল দেওয়া হবে। (৪৫. আল জাছিয়া : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(৩০) তাদের ক্ষেত্রে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, সুতরাং তাদের প্রভু তাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহের মধ্যে প্রবেশ করাবেন। এটাই হচ্ছে ঐ প্রকাশ্য সাফল্য, যা আল্লাহ তাদেরকে অঙ্গীকার করেছিলেন। (৪৫. আল জাছিয়া : ৩০)
- ব্যাখ্যা
(৩১) আর তাদের ক্ষেত্রে যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে, “তোমাদের কাছে কি আমার বাণী সমূহ পাঠ করা হতো না? তারপর তোমরা অহঙ্কার করছিলে আর তোমরা ছিলে এক অপরাধী জাতি। (৪৫. আল জাছিয়া : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩২) আর যখন বলা হতো, নিশ্চয় আল্লাহর অঙ্গীকার সত্য আর কিয়ামতের মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই, তখন তোমরা বলতে, ‘আমরা জানি না কিয়ামত কি? আমরা কাল্পনিক ধারণা ব্যতীত অন্য কিছুই ধারণা করি না আর এ বিষয়ে আমরা দৃঢ় বিশ্বাসী নই’।” (৪৫. আল জাছিয়া : ৩২)
- ব্যাখ্যা