(১৪) যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে তাদেরকে আপনি বলুন যে, তারা যেনো ওদেরকে ক্ষমা করে দেয়, যারা আল্লাহর প্রতিশ্রুত দিন সংঘটিত হওয়ার ব্যাপারে আশা করে না। যেনো তিনি প্রত্যেক জাতিকে তাদের কৃতকর্মের কারণে প্রতিদান দিতে পারেন। (৪৫. আল জাছিয়া : ১৪)
- ব্যাখ্যা
(১৫) যে কেউ সৎকাজ করে, তবে সে তার নিজের কল্যাণের জন্যেই তা করে। আর যে কেউ অসৎকাজ করে, তবে সে তার নিজের বিরুদ্ধেই তা করে। তারপর তোমরা তোমাদের প্রভুর দিকে ফিরে আসবে। (৪৫. আল জাছিয়া : ১৫)
- ব্যাখ্যা
(১৬) আমি ইসরাঈলের সন্তানদেরকে গ্রন্থ, কর্তৃত্ব ও নবুওয়ত দিয়েছিলাম। আমি তাদেরকে উত্তম বস্তু থেকে জীবিকা দিয়েছিলাম ও আমি তাদেরকে বিশ্বজগতের উপরে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম। (৪৫. আল জাছিয়া : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) আমি তাদেরকে ধর্মের নির্দেশ সম্পর্কে সুস্পষ্ট প্রমাণ দিয়েছিলাম। সুতরাং জ্ঞানের মধ্যে থেকে যা তাদের কাছে এসেছিলো, এরপরেও কেবল মাত্র তাদের নিজেদের মধ্যে জেদের বশবর্তী হয়ে তারা মতভেদ সৃষ্টি করেছে। নিশ্চয় আপনার প্রভু কিয়ামতের দিনে তাদের মধ্যে ঐ বিষয়ের মীমাংসা করে দিবেন, যে বিষয়ে তারা মতভেদ করতো। (৪৫. আল জাছিয়া : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) আমি আপনাকে ধর্মের এক বিশেষ সংবিধানের উপরে রেখেছি। সুতরাং আপনি তা অনুসরণ করুন ও আপনি তাদের ইচ্ছার অনুসরণ করবেন না, যারা সত্য জানে না। (৪৫. আল জাছিয়া : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) নিশ্চয় আল্লাহর শাস্তির সামনে তারা আপনার কখনোই কোনো উপকারে আসবে না। নিশ্চয় অন্যায়কারীরা একে অপরের বন্ধু। আর আল্লাহ হচ্ছেন পরহেযগারদের বন্ধু। (৪৫. আল জাছিয়া : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২০) এ কুরআন হচ্ছে মানুষের জন্যে জ্ঞানের কথা আর ঐ জাতির জন্যে পথ প্রদর্শক ও দয়া স্বরূপ, যারা আল্লাহর প্রতি সুনিশ্চিত বিশ্বাসী। (৪৫. আল জাছিয়া : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২১) যারা মন্দ কাজ করে, তারা কি মনে করে যে, আমি তাদেরকে ওদের মতো বানিয়ে দিবো, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, ফলে তাদের সবার জীবন ও মৃত্যু এক সমান হয়ে যায়? যা তারা দাবী করে তা কত মন্দ। (৪৫. আল জাছিয়া : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল যথাযথ ভাবে সৃষ্টি করেছেন। প্রত্যেক ব্যক্তিকে যেনো তার কৃতকর্মের কারণে প্রতিফল দেওয়া হয়। তাদের প্রতি কোনো অন্যায় করা হবে না। (৪৫. আল জাছিয়া : ২২)
- ব্যাখ্যা