(৩) তিনি আপনার কাছে সত্যের সাথে ধর্ম গ্রন্থ রূপে কুরআন অবতীর্ণ করেছেন। এই কুরআন ঐ সকল গ্রন্থ সমূহের সত্যায়নকারী, যা এর আগে এসেছিলো। আর তিনি তাওরাত ও ইঞ্জীল অবতীর্ণ করেছিলেন, (৩. আল ইমরান : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৪) কুরআনের পূর্বে মানুষের জন্যে পথ-নির্দেশ হিসেবে। আর তিনি কুরআনকে অবতীর্ণ করেছেন সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী গ্রন্থ হিসেবে। নিশ্চয় যারা আল্লাহর বাণী সমূহের প্রতি অবিশ্বাস করে, তাদের জন্যে ভয়ঙ্কর শাস্তি রয়েছে। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণে সক্ষম। (৩. আল ইমরান : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৬) তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদেরকে তোমাদের মায়ের গর্ভের মধ্যে যেমন ইচ্ছা আকৃতি দান করেন। তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (৩. আল ইমরান : ৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৭) তিনিই আল্লাহ, যিনি আপনার কাছে ধর্ম গ্রন্থ রূপে কুরআন অবতীর্ণ করেছেন, যার মধ্যে কিছু বাণী সুস্পষ্ট, সেইসব বাণী সমূহ হচ্ছে গ্রন্থের আসল অংশ ও অন্য বাণী সমূহ হচ্ছে রূপক। তবে তাদের ক্ষেত্রে, যাদের অন্তরের মধ্যে বক্রতা আছে, ফলে গন্ডগোল করার প্রচেষ্টায় ও এ বাণী সমূহের ভুল ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রচেষ্টায়, তারা কুরআনের মধ্যে যেগুলো রূপক বাণী, ঐ বাণী সমূহের অনুসরণ করে। বস্তুত এ রূপক বাণী সমূহের ব্যাখ্যা আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তারা বলে, “আমরা এ কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করি, এ সবই আমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে এসেছে।” বস্তুত জ্ঞানের অধিকারীরা ছাড়া অন্য কেউ কুরআনের প্রতি মনোযোগ দেয় না। (৩. আল ইমরান : ৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮) জ্ঞানের অধিকারীরা এমন যে তারা বলে, “হে আমাদের প্রভু! যখন তুমি আমাদেরকে পথ প্রদর্শন করেছো, তখন এর পরে তুমি আমাদের অন্তরকে বিপথগামী করো না আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদেরকে করুণা দান করো। নিশ্চয় তুমিই মহানদাতা। (৩. আল ইমরান : ৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯) হে আমাদের প্রভু! অবশ্যই তুমি মানুষকে এমন এক দিনে একত্র করবে, যে দিনের মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ কখনো স্বীয় প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।” (৩. আল ইমরান : ৯)
- ব্যাখ্যা