(২৫) যারা (আল্লাহর প্রতি) বিশ্বাস করেছে এবং সৎকাজ করেছে, আপনি তাদেরকে সুসংবাদ দিন যে, তাদের জন্যে এমন বেহেশত রয়েছে, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়। যখনই তারা ঐ বেহেশত থেকে জীবিকা হিসেবে কোনো ফল প্রাপ্ত হবে, তখনই তারা বলবে, “এ তো অবিকল সে ফলই যা ইতিপূর্বে আমাদেরকে জীবিকা হিসেবে দেওয়া হয়েছিলো”। বস্তুত তাদেরকে বেহেশতের মধ্যে অনুরূপ ফল প্রদান করা হবে এবং তার মধ্যে তাদের জন্যে পবিত্র স্ত্রীরা থাকবে। বস্তুত তার মধ্যে তারা চিরকাল থাকবে। (২. আল বাক্বারাহ : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৬) নিশ্চয় আল্লাহ এ ব্যাপারে লজ্জাবোধ করেন না যে, এমন কিছু দ্বারা উপমা বর্ণনা করতে, যা মশা অথবা তার চাইতেও তুচ্ছ কিছু। সুতরাং তাদের ক্ষেত্রে যারা (আল্লাহর প্রতি) বিশ্বাস করে, তারা জানে যে, এ উপমা তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে সত্য। আর তাদের ক্ষেত্রে যারা (আল্লাহকে) অবিশ্বাস করে, তারা বলে, “আল্লাহ এমন একটি উপমা দ্বারা কি বুঝাতে চান?” এ ধরনের উপমা দ্বারা (আল্লাহ) অনেককে পথভ্রষ্ট করেন, আবার অনেককে পথ প্রদর্শন করেন। এ ধরনের উপমা দ্বারা (আল্লাহ) অবাধ্য ব্যক্তিদেরকে ব্যতীত অন্য কাউকে পথভ্রষ্ট করেন না। (২. আল বাক্বারাহ : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৭) তারাই হচ্ছে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত, যারা আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকার শক্ত করার পরেও তা ভঙ্গ করে এবং আল্লাহ যে আত্মীয়তার সম্পর্ক অবিচ্ছিন্ন রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন, তারা তা ছিন্ন করে আর পৃথিবীর মধ্যে বিপর্যয় সৃষ্টি করে। (২. আল বাক্বারাহ : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) কেমন করে তোমরা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করো? অথচ তোমরা মৃত ছিলে। তারপর তিনি তোমাদেরকে জীবন দান করেছেন। আবার তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন, পুনরায় তিনি তোমাদেরকে জীবন দান করবেন। তারপর তাঁর দিকেই তোমরা ফিরে যাবে। (২. আল বাক্বারাহ : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(২৯) তিনিই (আল্লাহ), যিনি পৃথিবীর মধ্যে যা কিছু রয়েছে সব কিছুকে তোমাদের জন্যে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি আকাশের প্রতি মনোনিবেশ করেছেন এবং আকাশকে সাতটি আকাশ দ্বারা পরিপূর্ণ করলেন। বস্তুত তিনি সব কিছু সম্পর্কে সর্বজ্ঞ। (২. আল বাক্বারাহ : ২৯)
- ব্যাখ্যা