(৪) আর জীবজন্তুর মধ্যে থেকে যা কিছু আল্লাহ চারিদিকে ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং তোমাদের সৃষ্টির মধ্যেও, দৃঢ় বিশ্বাসী জাতির জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (৪৫. আল জাছিয়া : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৫) রাত ও দিনের পরিবর্তনের মধ্যে আর আল্লাহ আকাশ থেকে জীবিকা হিসেবে যে বৃষ্টি প্রেরণ করেন, তারপর ঐ বৃষ্টি দ্বারা পৃথিবীকে তার মৃত্যুর পরে পুনরায় জীবিত করেন, এসবের মধ্যে আর বাতাসের পরিবর্তনের মধ্যেও, জ্ঞানী জাতির জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (৪৫. আল জাছিয়া : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) এগুলো হচ্ছে আল্লাহর বাণী, যা আমি আপনার কাছে যথাযথ ভাবে পাঠ করছি। সুতরাং আল্লাহ ও তাঁর বাণীর পরে তারা আর কোন কথার উপরে বিশ্বাস করবে। (৪৫. আল জাছিয়া : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৮) যে ব্যক্তি আল্লাহর বাণী তার কাছে পঠিত হতে শুনে, তারপর সে অহঙ্কারের মধ্যে অটল থাকে, যেনো সে আল্লাহর ঐ বাণীকে শুনেনি। সুতরাং আপনি তাকে বেদনাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন। (৪৫. আল জাছিয়া : ৮)
- ব্যাখ্যা
(১০) তাদের পিছনে দোযখ রয়েছে। তারা যা অর্জন করেছে, তা তাদের কোনো কাজে আসবে না। তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে অভিভাবক রূপে গ্রহণ করেছে, তারা কোনো কাজে আসবে না। আর তাদের জন্যে মহা শাস্তি রয়েছে। (৪৫. আল জাছিয়া : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) এ কুরআনই হচ্ছে পথ-নির্দেশ, যারা তাদের প্রভুর বাণী সমূহ অস্বীকার করে, তাদের জন্যে নিকৃষ্ট বেদনাদায়ক শাস্তি রয়েছে। (৪৫. আল জাছিয়া : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) তিনিই আল্লাহ, যিনি সমুদ্রকে তোমাদের জন্যে অধীন করে দিয়েছেন, যেনো তাঁর আদেশক্রমে সমুদ্রের মধ্যে জাহাজ চলতে পারে। আর তোমরা যেনো তাঁর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করো ও তোমরা যেনো আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হও। (৪৫. আল জাছিয়া : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সব কিছুকে তাঁর পক্ষ থেকে অনুগ্রহ স্বরূপ তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন। নিশ্চয় এর মধ্যে চিন্তাশীল জাতির জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (৪৫. আল জাছিয়া : ১৩)
- ব্যাখ্যা