(৭৯) না কি তারা রসূলকে হত্যা করার ব্যাপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত করে ফেলেছে? সুতরাং নিশ্চয় আমিও তাদের এক শাস্তির ব্যাপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। (৪৩. আয যুখরুফ : ৭৯)
- ব্যাখ্যা
(৮০) না কি তারা মনে করে যে, আমি তাদের গোপন বিষয় ও গোপন আলোচনা শুনি না? হাঁ, অবশ্যই আমি শুনি। আর আমার ফেরেশতারা তাদের সঙ্গে থেকে লিখে রাখে। (৪৩. আয যুখরুফ : ৮০)
- ব্যাখ্যা
(৮৩) সুতরাং আপনি তাদেরকে তাদের ঐ দিনের সাক্ষাত পর্যন্ত বিতর্ক ও কৌতুক করতে ছেড়ে দিন, যে দিনের অঙ্গীকার তাদেরকে দেওয়া হয়েছে। (৪৩. আয যুখরুফ : ৮৩)
- ব্যাখ্যা
(৮৫) কল্যাণময় তিনি, যাঁর হাতে নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এই দুইয়ের মধ্যে যা কিছু আছে, সব কিছুর রাজত্ব। তাঁর কাছেই কিয়ামতের জ্ঞান আছে আর তাঁর কাছেই তোমরা ফিরে আসবে। (৪৩. আয যুখরুফ : ৮৫)
- ব্যাখ্যা
(৮৬) আল্লাহকে বাদ দিয়ে তারা যাদেরকে পুজা করে, তারা সুপারিশ করার অধিকারী হবে না, তবে তারা ব্যতীত, যারা সত্যের প্রতি সাক্ষ্য দিয়েছিলো ও যারা সত্যকে জানতো। (৪৩. আয যুখরুফ : ৮৬)
- ব্যাখ্যা
(৮৭) যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন, “কে তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন?” তবে তারা অবশ্যই বলবে, “আল্লাহ”, সুতরাং তারা কোথায় ফিরে যাচ্ছে? (৪৩. আয যুখরুফ : ৮৭)
- ব্যাখ্যা
(৮৯) সুতরাং আপনি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন এবং আপনি বলুন, “তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক।” সুতরাং শীঘ্রই তারা আমার শাস্তি সম্পর্কে জানতে পারবে। (৪৩. আয যুখরুফ : ৮৯)
- ব্যাখ্যা